
অল বেঙ্গল সেভ এডুকেশন কমিটির উদ্যোগে ২৭ সেপ্টেম্বর মধ্য কলকাতার ঐতিহ্যমণ্ডিত ভারত সভা হলে কলকাতা জেলা শিক্ষা কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দেন শতাধিক প্রতিনিধি। সভায় একটি অ্যাপ্রোচ পেপার পেশ করা হয়। অঙ্গনওয়াড়ি, প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা, উচ্চ প্রাথমিক, সেকেন্ডারি থেকে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার নানা সমস্যা, শিক্ষকের অপ্রতুলতা ও পরিকাঠামোর বেহাল অবস্থা নিয়ে বক্তারা সোচ্চার হন। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র মাধ্যমে সরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে সরকারি পরিকল্পনায় যেভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা চলছে, শিক্ষায় বেসরকারিকরণ, বাণিজ্যিকীকরণ ও কর্পোরেটদের হাতে তুলে দেওয়ার সামগ্রিক উদ্যোগের পরিকল্পনা চলছে। তাকে আটকাতে ও প্রতিরোধের উপায় সন্ধানে বিভিন্ন বক্তারা তাঁদের সুচিন্তিত মতামত পেশ করেন। প্রতিনিধি অধিবেশনের শেষে শিক্ষিকা শম্পা সরকারকে সম্পাদক এবং শিক্ষক সুব্রত বাগচীকে সভাপতি করে ৬০ জনের কমিটি নির্বাচিত হয়। নতুন জেলা কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক ডঃ মৃদুল দাস বক্তব্য পেশ করেন।
প্রকাশ্য অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন দুই শতাধিক মানুষ। সভায় বক্তব্য পেশ করেন অধ্যাপক শান্তনু রায়, অধ্যাপক মনোজ গুহ, অধ্যাপক গৌতম মাইতি, সর্বভারতীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক তরুণ নস্কর। অধ্যাপক নস্কর বলেন, ‘আমরা সমস্ত রাজ্যে জনবিরোধী শিক্ষানীতি-২০২০ বাতিল করে জনগণের শিক্ষানীতি ২০২৬ চালু করার দাবি জানিয়েছি। সে জন্য এ বছরের ২৪ জানুয়ারি বাঙ্গালোরে গৃহীত শিক্ষানীতি বই হিসেবে প্রকাশ করে সরকারি কর্তাদের কাছে পাঠিয়েছি। তাঁরা এটাকে চালু করতে চাইবেন না, কিন্তু জনগণের মতামত তাঁদের মানতে বাধ্য করতে হবে। প্রয়োজনে আন্দোলন জোরদার করে আমরা দেশব্যাপী চাপ সৃষ্টি করব।’