Breaking News

স্মার্ট মিটারঃ রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন দপ্তরে বিক্ষোভ গ্রাহকদের

স্মার্ট মিটার লাগানো চলবে না, সমস্ত লাগানো স্মার্ট মিটার খুলে নিতে হবে, ক্ষুদ্র শিল্পে মিনিমাম চার্জ প্রত্যাহার করতে হবে, বিদ্যুৎ আইন ও রেগুলেশন অনুযায়ী সিকিউরিটির উপর সুদের টাকা ফেরত দিতে হবে, গৃহস্থে প্রতি মাসে ২০০ ইউনিট ও কৃষিতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দিতে হবে এবং বিদ্যুৎ মাশুল ৫০ শতাংশ কমাতে হবে। এই সব দাবিতে ২ জুন অল বেঙ্গল ইলেক্ট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন (অ্যাবেকা)-র ডাকে সল্টলেক করুণাময়ীতে হাজার হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক জমায়েত হয়ে রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার দপ্তরে বিক্ষোভ দেখান ও রাজ্য বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার চেয়ারম্যানের কাছে স্মারকপত্র জমা দেওয়া হয়।

অ্যাবেকার সাধারণ সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস, অল ইন্ডিয়া ইলেক্ট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী সভাপতি সমর সিনহা, কোষাধ্যক্ষ অজয় চ্যাটার্জী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভাপতিত্ব করেন অ্যাবেকার সভাপতি অনুকূল ভদ্র। নেতৃবৃন্দ বলেন, এখন নতুন সরকার গঠিত হয়েছে। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছিল গৃহস্থে প্রতি মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া হবে। প্রান্তিক কৃষিতে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তা আজও কার্যকরী করা হল না। গত ২ এপ্রিল ২০২৬ কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয়, বলপূর্বক কোথাও স্মার্ট মিটার লাগানো হবে না। অথচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পর সেই মন্ত্রীই বলছেন, আগামী জুলাই মাস থেকে স্মার্ট মিটার লাগানো হবে। এই দ্বিচারিতা কেন? নেতৃবৃন্দ আরও বলেন সরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানিগুলোকে গোয়েঙ্কা, টাটা, জিন্দাল, আদানি, আম্বানিদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্যই স্মার্ট প্রিপেড মিটার লাগাচ্ছে বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার। ক্ষুদ্র শিল্পে প্রতি মাসে কেভিএ লোডে ২০০ টাকা মিনিমাম চার্জ ধার্য করায় রাজ্যের প্রায় অর্ধেক গমকল, হাস্কিং মিল, তেল কল সহ ছোট ছোট ক্ষুদ্র শিল্প বন্ধ হয়ে গেছে। এ ভাবে দাম বাড়ালে ক্ষুদ্রশিল্প বিপর্যস্ত হবে। লাগানো স্মার্ট মিটারগুলো খুলে ফেলতে ও বিদ্যুৎ মাশুল ৫০ শতাংশ কমানোর দাবিতে গ্রাহক প্রতিরোধ কমিটি তৈরি করে দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সকলের কাছে আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ। প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন অল বেঙ্গল ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অমল মাইতি।