
সমস্ত বুর্জোয়া আর তাদের অদূরদর্শী ধুয়োধরা মোসাহেব সামাজিক-সংস্কারপন্থীরা যখন নীকিবাগীশ ভঙ্গিতে জনগণের ‘শিক্ষা’র কথা বলে, তখন আসলে তারা স্কুলমাস্টারি গোছের, পণ্ডিতম্মন্যসুলভ কিছু একটাকে বোঝাতে চায়।
‘শিক্ষা’ বলতে তারা এমন একটা কিছুর কথা বলতে চায়, যা জনসাধারণকে নীতিভ্রষ্ট করে এবং বুর্জোয়া সংস্কারে নিমজ্জিত করে।
জনগণের প্রকৃত শিক্ষাকে তাদের নিজেদের স্বাধীন, রাজনৈতিক এবং বিশেষত বিপ্লবী সংগ্রামের দিক থেকে কোনও ভাবেই পৃথক করা যায় না। এক মাত্র সংগ্রামই শিক্ষিত করে তোলে শোষিত শ্রেণিকে। কেবল মাত্র সংগ্রামই তাদের স্বীয় শক্তির বিশালতা তাদের সামনে তুলে ধরে, তাদের অভিজ্ঞতার সীমানার বিস্তৃতি ঘটায়, সামর্থ্য বাড়িয়ে তোলে, বিচারশক্তিকে মেজেঘষে নেয়, চিন্তাশক্তিকে গড়েপিটে তৈরি করে।
১৯০৫-এর বিপ্লব সম্পর্কে জেনেভায় ১৯১৭-র ৯ জানুয়ারির বক্তৃতা