
কেন্দ্রের এনআরএলএম রাজ্যে (ন্যাশনাল রুরাল লাইভলিহুডস মিশন)আনন্দধারা প্রকল্প হিসাবে পরিচিত। এই প্রকল্পে কর্মরত সিএসপি (কমিউনিটি সার্ভিস প্রোভাইডার) কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ী কর্মীর স্বীকৃতি এবং এনগেজমেন্ট লেটার দেওয়া সহ দশ দফা দাবিতে এআইইউটিইউসি অনুমোদিত সারা বাংলা সিএসপি কর্মী ইউনিয়নের ডাকে ২৭ জানুয়ারি নবান্ন অভিযান কর্মসূচি ঘিরে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে বড় জমায়েত হয় (ছবি)। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মীরা এ দিন তাঁদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অনিিশ্চত কর্মপরিস্থিতির বিরুদ্ধে সরব হন। কর্মীরা কলেজ স্ট্রিটে বিদ্যাসাগর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হয়ে সেখান থেকে মিছিল করে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ারে আসেন। বিক্ষোভ সমাবেশে বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। বক্তব্য রাখেন এআইইউটিইউসি-র রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস, রাজ্য সহ সভাপতি নন্দ পাত্র, স্কিম ওয়ার্কার্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া ও পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়ন-এর সম্পাদিকা ইসমত আরা খাতুন, পশ্চিমবঙ্গ পৌর স্বাস্থ্যকর্মী (কন্ট্র্যাকচুয়াল) ইউনিয়ন-এর সভাপতি রুনা পুরকাইত, সারা বাংলা সিএসপি কর্মী ইউনিয়ন-এর আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, নির্দিষ্ট নিয়োগপত্র না থাকায় বহু জায়গায় তুচ্ছ অজুহাত কিংবা সংকীর্ণ দলীয় রাজনীতির কারণে কর্মীদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। আতঙ্কের পরিবেশে কর্মীদের কাজ করতে হয়। সমাবেশ থেকে সম্পাদিকা ঝর্ণা রায়ের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল রাজভবনে ডেপুটেশন দেন এবং সহ সম্পাদক নিবেদিতা দাস সরদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল নবান্নে ডেপুটেশন দেন। তাঁদের মূল দাবির মধ্যে রয়েছে সরকারি মিনিমাম ওয়েজ অনুযায়ী ১২ হাজার টাকা বেতন, স্থায়ীকরণ, এনগেজমেন্ট লেটার দেওয়া, সামাজিক সুরক্ষা, কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণসহ মোট দশটি দাবি। দাবিগুলি মানা না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সভা থেকে।