Breaking News

স্কিম ওয়ার্কারদের মোবাইলের টাকা আদায়

ফাইল ফটো

আশা, পৌর স্বাস্থ্য ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে রাজ্য সরকার শেষপর্যন্ত মোবাইল খরচের ১০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হল। কিন্তু এরজন্য সরকার কিছু শর্ত আরোপ করেছে। ১৩ নভেম্বর এআইইউটিইউসি-র রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস এর প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক চিঠিতে জানান,

রাজ্যে আশা, পৌরস্বাস্থ্যকর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কয়েক বছর ধরে অনলাইনে কাজ চালিয়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে ফোন না দেওয়া সত্তে্বও। শ্রম আইন অনুযায়ী, কোনও কর্মীকে কাজে নিযুক্ত করলে, তাঁর কাজের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়োগকারীর দেওয়ার কথা। কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোন কর্মীদের না দিয়েই অনলাইনে কাজ করানো হচ্ছিল। আন্দোলনের চাপে সরকার শেষ পর্যন্ত মোবাইল ফোন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করে কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এতদিন অনলাইনে কাজ চালু রাখার জন্য তাঁরা নিজেরা প্রায় দু’মাসের উপার্জনের টাকা ব্যয় করে মোবাইল ফোন কিনতে বাধ্য হয়েছে। অথচ সরকারের পক্ষ থেকে অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনে রশিদ দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাস্তবে কর্মীদের অপ্রয়োজনীয় ভাবে দ্বিতীয় বার ফোন কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

অশোক দাস স্কিম কর্মীদের দ্বিতীয় বার ফোন কিনে রশিদ দাখিলের নির্দেশ ও ফোন ব্যবহারের জন্য আরোপিত শর্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।