Breaking News

সাম্প্রদায়িক মতলবে ধৃত আন্দোলনকারীদের মুক্তি চাইঃ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি

নিট কেলেঙ্কারি বিরোধী কলকাতার ছাত্র মিছিলে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকারের অগণতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক কার্যকলাপের প্রতিবাদে ২৬ জুলাই এক সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এআইডিএসও, এসএফআই, এআইএসএ সহ বাম ছাত্র সংগঠনগুলির নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, অত্যন্ত হীন স্বার্থে পরিকল্পিত ভাবে ২৪ জুলাই কলকাতায় ছাত্র-যুব-নাগরিক মিছিলে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। যাতে এক দিকে জনমানসে এই মিছিলকে কালিমালিপ্ত করা যায়, অন্য দিকে আন্দোলন ও আন্দোলনকারীদের উপর চূড়ান্ত দমনপীড়ন নামিয়ে আনা যায়। দেশজোড়া এই আন্দোলনে বিভিন্ন জায়গায় শাসক দল ও গোষ্ঠীর এই ধরনের ষড়যন্ত্র আমরা আগেও দেখেছি। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ২৪ তারিখ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উপর পুলিশ হামলা করে। পরবর্তীতে একে অজুহাত করে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় তাঁদের চূড়ান্ত সাম্প্রদায়িক অ্যাজেন্ডা সামনে আনেন এবং অগণতান্ত্রিক দমনমূলক ‘গুন্ডাদমন আইন’ প্রয়োগের কথা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছি, এই আইন গুন্ডাদের বিরুদ্ধে নয়, প্রয়োগ হবে সরকারের চোখে সমস্ত ধরনের বিরোধীদের উপর। প্রয়োগ হবে গণআন্দোলনের কর্মীদের উপর ও ধর্মীয় সংখ্যালঘু সহ সমস্ত ধরনের সংখ্যালঘুদের উপর। এই বক্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করে সরকার ইতিমধ্যেই ১৪ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে ১৩ জনই ধর্মীয় ভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এর থেকেই সরকারের হীন সাম্প্রদায়িক উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে।

তাঁদের দাবি, সরকারের ফ্যাসিবাদী ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করতে হবে। চূড়ান্ত অগণতান্ত্রিক, মানবাধিকার বিরোধী ‘গুন্ডাদমন আইন’ বাতিল করতে হবে। দেশ জুড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর কোনও রকম মামলা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার। সেই অনুযায়ী এ রাজ্যেও ‘গুন্ডাদমন আইন’ সহ সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে গ্রেপ্তার করা মানুষদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।