Breaking News

ব্রিটিশ শাসকদের সহযোগীরাই দেশপ্রমের পাঠ শেখাচ্ছে

দেশভাগের বিভীষিকা স্মরণ করাতে মুখ্যমন্ত্রী যে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, সে সম্পর্কে রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য ১১ আগস্ট এক বিবৃতিতে বলেন,

নতুন প্রজন্মকে দেশভাগের বিভীষিকা স্মরণ করাতে ১৩ ও ১৪ আগস্ট যে কর্মসূচির কথা মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য প্রশাসন ঘোষণা করেছে, তা আসলে দেশভাগের প্রকৃত ইতিহাসকে গোপন করার প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। দেশভাগ অবিভক্ত ভারতের সাধারণ মানুষ চাননি। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শাসকরা যে ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ নীতি নিয়েছিল, তাকেই একদিকে হিন্দু মহাসভা ও আরএসএস এবং অন্য দিকে মুসলিম লিগ দ্বিজাতি তত্ত্বের নামে শক্তিশালী করেছিল। তাদের এই বিভেদকামী ভূমিকার পাশাপাশি কংগ্রেস নেতাদের দ্রুত ক্ষমতার গদিতে বসার লোভের পরিণামেই দেশভাগ হয়েছে। যে বিজেপির পূর্বসূরী আরএসএস-হিন্দু মহাসভা ব্রিটিশ বিরোধিতাকে স্বাধীনতার আন্দোলন বলতে রাজি হয়নি এবং ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের বিরোধিতা করেছে, গোটা স্বাধীনতা আন্দোলন পর্বে ব্রিটিশকে সহযোগিতার নীতি নিয়ে চলেছে, তারাই আজ দেশের ছাত্র-যুবদের দেশপ্রেমের পাঠ শেখাচ্ছে। এর থেকে বড় ট্রেজেডি আর কী হতে পারে!

আমরা সরকারের এই ইতিহাসের বিকৃতি ও বিভেদকামী কর্মসূচি বাতিল করে জনগণের স্বার্থরক্ষাকারী কাজে মনোনিবেশ করার দাবি জানাচ্ছি।