Breaking News

এসআইআরঃ বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই নাগরিকত্ব বাতিলের ষড়যন্ত্র

মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফ্তরে বিক্ষোভ ১ এপ্রিল ২০২৬।

পশ্চিমবঙ্গে বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা কত সংখ্যক ভোটারের নাম যোগ্য তালিকায় উঠল, কত জনই বা ডিলিটেড হলেন, এর সুনির্দিষ্ট হিসাব দিতেই হিমশিম খাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ৬০ লক্ষ মানুষকে উদ্ভট এবং অযৌক্তিক এক ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র চক্করে ফেলে বিচারাধীন রেখেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন এখন পুরো দায়টাই চাপাচ্ছে ৭০০-র বেশি বিচারকের ওপর। এই বিচারকরা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কাজ শুরু করলেও তাঁদের কাজ করতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের ঠিক করে দেওয়া মাপকাঠি মেনেই। এর জেরে এস ইউ সি আই (সি)-র প্রাক্তন সাংসদ ডাক্তার তরুণ মণ্ডল, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এবং রাজ্যের ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শহিদুল্লাহ মুন্সী, বীরভূমে নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত ডেপুটি ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার শেখ মহম্মদ ইরফান হাবিব এবং বেশ কিছু বিএলও সহ অসংখ্য মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাতিল করে দিয়েছে কমিশন। এঁদের যদি এই পরিস্থিতি হয়, তা হলে দরিদ্র প্রান্তিক মানুষ, আদিবাসী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিশেষত মুসলিম সাধারণ ভোটারদের কী অবস্থা হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। ২৭ মার্চ সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় আইন ও বিচারমন্ত্রক জানিয়েছে এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে গত ১৩ বছরের মধ্যে মহিলা ভোটারদের সংখ্যা সবচেয়ে কমে গেছে, পুরুষ ভোটারের সাথে মহিলাদের অনুপাতও এখন সর্বনিম্ন। অথচ, বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম ভরানোর সময় বলা হয়েছিল ২০০২-তে যাদের নাম বা বাবা, মা, সহ রক্তের সম্পর্কে নিকটাত্মীয়দের নাম ভোটার তালিকায় ছিল তাদের কোনও নথি লাগবে না। কিন্তু সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এক ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’র চক্করে ১ কোটির বেশি মানুষ ডাক পেলেন শুনানিতে। এর পর হল ৬০ লক্ষ ভোটারের ‘অ্যাডজুডিকেশন’ এবং অবশেষে এখন চলছে কোনও কারণ না দেখিয়েই যথেচ্ছ নাম বাদ ও অনিশ্চয়তার পর্ব।

রাজ্যে প্রথম দফা ভোটের জন্য মনোনয়নের শেষ দিন ৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায় ৯ এপ্রিল। যে গতিতে তালিকার কাজ চলছে তাতে বোঝা যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারকে বাদ রেখেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন করাতে চাইছে কমিশন এবং বিজেপি।

নির্বাচন কমিশন কি সত্যিই ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য এই কাজ করেছে? তা যদি হত তা হলে নিজেদের ঘোষিত নীতি ভেঙে তারা ২০০২-এর তালিকার সাথে সংযুক্ত বা ‘ম্যাপড’ ভোটারদেরও বিচারাধীন তালিকায় ঠেলে দিত না। শুনানিতে সমস্ত নথি দেখানোর পরেও লক্ষ লক্ষ সাধারণ মানুষ তো বটেই এমনকি প্রাক্তন সাংসদ, বিচারপতি, কমিশনেরই নিযুক্ত সরকারি গেজেটেড অফিসারদেরও তালিকা থেকে ছাঁটাইকরত না। প্রধানত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের নাম বাতিলই তাদের লক্ষ্য হলেও এর সাথে মতুয়া, আদিবাসী, প্রান্তিক জনজাতি ও মহিলাদের নাম বাদ গেছে বিপুল সংখ্যায়। বিজেপির এক নেতা বলেই ফেলেছেন, মুসলিম জনগোষ্ঠীকে নির্বিচারে ‘অনুপ্রবেশকারী’ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টার ‘কো-ল্যাটারাল ড্যামেজ’। দেখে মনে হয় নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় শাসকদল বিজেপির নির্বাচনী দপ্তর হিসাবেই কাজ করে চলেছে। বিজেপি নেতারা যে ঘোষিত উদ্দেশ্য তুলে ধরছেন, দেখা যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন সেই রাস্তাতেই এগোচ্ছে। এমনকি যে সংখ্যায় ভোটার বাদ দেওয়ার কথা বিজেপির হয়ে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেছিলেন, দেখা গেল মোটামুটি তার কাছাকাছি সংখ্যাই কমিশন বজায় রেখেছে।

লক্ষ্যটা স্পষ্ট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ বিহারে এসআইআর নিয়ে সংসদে বলেছিলেন এর লক্ষ্য হচ্ছে তিনটি ‘ডি’, ‘ডিটেক্ট’ (খুঁজে বার করা), ‘ডিলিট’ (বাদ দেওয়া) এবং ‘ডিপোর্ট’ (দেশ থেকে বহিষ্কার)। পশ্চিমবঙ্গে বিচারাধীন ভোটারদের মধ্যে যারা বাদ যাচ্ছে তাদের যে ভাবে ট্রাইবুনালের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তাতে আসামের মতো এই রাজ্যেও ডি-ভোটার বা সন্দেহজনক ভোটার হিসাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে ঠেলে দেওয়ার হীন পরিকল্পনা নিয়েই তারা এগোচ্ছে। তা হলে বিজেপি এবং তার বকলমে চলা নির্বাচন কমিশন বলুক– বাদ যাওয়া এই সমস্ত ভোটারই রোহিঙ্গা অথবা অনুপ্রবেশকারী! আসামে যে ভাবে এনআরসি করে শত শত মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে দেওয়া হয়েছে, বহু বছর ডিটেনশন ক্যাম্পে থেকে নরক যন্ত্রণা সয়ে নাগরিক হিসাবে নিজেদের প্রমাণ করছেন বহু মানুষ। বাংলাতেও তাই করার দিকে এগোতে চাইছে বিজেপি! উল্লেখ্য, আসামে এনআরসি হয়েছে প্রায় ১৫-১৬ বছর ধরে। তাতেও নির্ভুল তালিকা হয়নি। আর পশ্চিমবঙ্গে করা হচ্ছে মাত্র চার-পাঁচ মাসে। ফলে কী ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে যাচ্ছে তার নমুনা এখনই দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে নাগরিকত্ব হারানোর আতঙ্কে শতাধিক মানুষ আত্মহত্যা করেছেন বা অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তার মধ্যে সরকারি অধিকারিক থেকে বিএলও পর্যন্ত আছেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের মূল হাতিয়ার হল অনুপ্রবেশ নিয়ে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে মিথ্যা প্রচার এবং মুসলিম বিদ্বেষ ছড়ানো। কারণ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসনের বিরুদ্ধে এমন একটি কথাও বিজেপি বলতে পারবে না যেগুলি তাদের শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার অথবা তাদের পরিচালিত ১৫টি রাজ্য সরকারের শাসনের সঙ্গে মেলে না। দুর্নীতি, বেকারি, নারী নির্যাতন, দলবাজি, কালোবাজারি, স্বজনপোষণ, প্রশাসনকে দলদাসে পরিণত করা, একচেটিয়া মালিকদের সেবাদাস হিসাবে জনবিরোধী নীতি নিয়ে চলা– বিজেপি এর কোনও একটি বিষয়ে তৃণমূলের থেকে আলাদা কিছু তো নয়ই বরং অনেক বেশি। প্রসঙ্গত, মাত্র কিছুদিন আগে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের কমিটি থেকে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর মনোনীত এক মন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার কমিটিতে সরকারের পছন্দই চূড়ান্ত। বিজেপি চাইছে কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধির সমস্যার মতো মূল বিষয়গুলি ভুলে মানুষ ব্যস্ত থাকুক নাগরিকত্ব বাঁচাতে। সরকারের সব অপদার্থতার দায় এখন চাপিয়ে দিচ্ছে কল্পিত ‘অনুপ্রবেশকারী’দের ঘাড়ে। নির্বাচন কমিশন বিজেপির এই অ্যাজেন্ডা পূরণে কতটা ব্যস্ত। এই দায়িত্ব পালন করতে কমিশন মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, মালদার মতো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত জেলাগুলিতে যা করেছে তা ষড়যন্ত্রটাকে একেবারে নগ্ন করে দিয়েছে। মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জের ১৩২ পার্টে বিচারাধীনদের মধ্যে ১০১ জন গৃহীত, বাতিল ৩৮০। পার্ট নম্বর ১৫২-তে গৃহীত ০, বাতিল ৪৯১। পার্ট নম্বর ১৫৮-তে গৃহীত ০, বাতিল ৬৯৮! এই রকম অসংখ্য উদাহরণ আছে বহু বিধানসভা কেন্দ্রে। এদের বেশিরভাগই ওই এলাকার বহুকালের বাসীন্দা। কেউ কেউ হয়ত নদী ভাঙন বা অন্য কারণে জায়গা পাল্টেছেন। এই এলাকাতেও বাতিল ভোটারদের বড় অংশ মহিলা। তাঁরা বাতিল হয়েছেন মূলত নামের বানানের তারতম্যের অজুহাতে।

নির্বাচন কমিশন কেমন ‘স্বচ্ছ বিচার’ করতে সক্ষম তার প্রমাণ পাওয়া যায় তাদের নিজেদের ব্যবস্থাপনার দক্ষতা দেখলে। প্রতিবার অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে মধ্য রাতে। নাম বাদ দেওয়ার কারণও জানানো হয়নি। কতজন বাদ, কতজন গৃহীত, তার সংখ্যা নির্দিষ্টভাবে তা জানাতেই পারেনি নির্বাচন কমিশন। এমনকি বিচারকদের ‘ই-সই’ না হওয়ার জন্য ৫ লক্ষ মানুষের নাম নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। যারা এই কাজটুকুও সুষ্ঠুভাবে করতে অক্ষম, সেই নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের ওপরই কিনা বর্তেছে দেশের কোটি কোটি ভোটারের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার প্রশ্ন! ফলে এসআইআরে স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি ও সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম তালিকায় রাখার বিষয়টাই এখন গৌণ হয়ে গেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেও আর এই কথাটা বলছেন না। তাঁর প্রতিনিধি রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সিইও ডাক্তার তরুণ মণ্ডলের মতো প্রাক্তন সাংসদের নাম বাদের কথা শুনে ভাবলেশহীন মুখে ‘অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালে যান’ ছাড়া কিছু বলতে পারেননি। কারণ বৈধ ভোটারদের হয়রানি করার জন্য বিজেপির নির্দেশ পালনে তাঁরা বাধ্য। স্বচ্ছ তালিকা চাইলে তাঁরা ইন্টারনেট নির্ভর ব্যবস্থা আর হাতে গোনা ক’টি নথির ভরসা ছেড়ে জোর দিতেন ফিল্ড সার্ভের ওপর। বাস্তব এবং নিরপেক্ষ সমীক্ষা ও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে ভোটারদের নাম তাঁরা সহজেই তালিকাভুক্ত করতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াটাকে অযথা জটিল করে তেলার পথে কমিশন যেত না।

এ দিকে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বিষয়টিকে দেখছে তাদের রাজনৈতিক সুবিধার দৃষ্টি থেকে। তারা বলছে আমরা ভোটে জিতলে বাদ যাওয়া ভোটারদের নাম তালিকায় তুলে দেব। লক্ষ লক্ষ মানুষের উদ্বেগ, তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার চলে যাওয়া, নাগরিকত্ব হারানোর আশঙ্কা তৃণমূল সরকারের কাছে পড়ে পাওয়া সুযোগ। এই চক্করে আটকে থেকে মানুষ সরকারের অপশাসনের কথা তুলতে সময়ই পাবে না। ফলে তারাও বিজেপির মতোই চেয়েছে বিষয়টা জটিল হোক, মানুষের অসহায়তা বাড়ূক তাহলে তারা উদ্ধারকর্তা সাজতে পারবে।

এস ইউ সি আই (সি) প্রথম থেকে দাবি করেছে, ভোটার তালিকা সংশোধনে ইন্টারনেট নয়, জোর দিতে হবে ফিল্ড সার্ভের ওপর। পর্যাপ্ত সময় নিয়ে এবং ভোটারদের বক্তব্য জানানোর যথাযথ সুযোগ দিয়ে তালিকা সংশোধন করতে হবে। ২০২৫-এর ভোটার তালিকাকেই ভিত্তি ধরে মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট ভোটারদের বাদ দিয়ে ও নতুন ভোটারদের যুক্ত করে ভোট করতে হবে। দলের পক্ষ থেকে একাধিকবার কমিশনের সিইও-র সাথে দেখা করে দাবি তোলা হয়েছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের মতো এক্তিয়ার বহির্ভূত কাজ কমিশন করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্টেও নির্বাচন কমিশন বলেছিল তারা নাগরিকত্ব যাচাই করছে না, নাগরিকদের নাম নথিভুক্ত করছে মাত্র। অথচ পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডজুডিকেশনের পরিণতিতে ট্রাইবুনালের দিকে ভোটারদের ঠেলার মধ্য দিয়ে তারা ঠিক এই কাজটিই করতে চলেছে। বিজেপি সরকারের অভিসন্ধি হল এনআরসি চালু করে কোটি কোটি মানুষের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের চাপে রাখা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানো। এসআইআরকে শেষ পর্যন্ত সেই দিকেই তারা নিয়ে যাবে এই আশঙ্কা এস ইউ সি আই (সি) প্রথম থেকেই জানিয়েছে। বিজেপি নিজেদের ভোট রাজনীতির স্বার্থে লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনকে শুধু অনিশ্চয়তায় ঠেলে দিল তাই নয়, মানুষে মানুষে বিভেদ, শত্রুতা, ঘৃণার যে বাতাবরণ তারা এর মধ্য তৈরি করছে তার সর্বনাশা আগুনের আঁচ রাজ্যের প্রতিটি পরিবারে অশান্তি ডেকে আনবে।

বিজেপির এই পরিকল্পনা ধরা পড়ে গেছে তাদের নেতা অমিত শাহের মিথ্যাচারে। ২৮ মার্চ কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘অনুপ্রবেশকারীরা কি বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে’? সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, এ রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা কত? উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না। যা জানে নির্বাচন কমিশন, ওরাই ঘোষণা করবে। আমার কাছে কোনও তথ্য নেই’ (আনন্দবাজার পত্রিকা, ২৯.০৩.২৬)। যে অনুপ্রবেশকারীদের ব্যাপারে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই, তিনি কি তাদের ছায়ার সাথে লড়ছেন?

এই হীন চক্রান্ত রুখতে না পারলে খেটে খাওয়া মানুষের সমূহ সর্বনাশ। এর বিরুদ্ধে চাই আন্দোলনের জোয়ার। শুধু ভোটে হারালেই এই সর্বনাশা রাজনীতি মুছে যাবে না। গণআন্দোলনের ধাক্কায় এই বিষ গাছকে উপড়ে ফেলতে হলে রাজনৈতিক, সাং¦´¨তিক সব দিক থেকে এর মোকাবিলা করার মতো আন্দোলনের শক্তিকে তুলে ধরতে হবে।