
কলকাতায় দলের রাজ্য দফতরে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে ১৬ মার্চ এক সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে রাজ্য সম্পাদক কমরেড চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আমরা এককভাবে ২৩০টি কেন্দ্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। এ বারের নির্বাচনের বিশেষত্ব হল, ৬০ লক্ষেরও বেশি ‘বিচারাধীন’ ভোটারের ফয়সালা না করেই কমিশন নির্বাচন ঘোষণা করেছে। আমাদের দলের অনেক প্রস্তাবিত প্রার্থীও বিবেচনাধীন তালিকায় থাকায় তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছেন না। আগামী সপ্তাহ তিনেকের মধ্যে এই ফয়সালা না হলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করার দাবি করছি। এ ছাড়া যাঁদের নাম ‘ডিলিটেড’ হয়েছে তাঁরা ৬ নং ফর্ম জমা দিলে যাতে তাঁদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয় তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনে চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ও জনবিরোধী রাজ্য ও কেন্দ্রের দুই শাসকদল, তৃণমূল ও বিজেপি পরস্পরের বিরুদ্ধে তাল ঠোকাঠুকি করছে। টাকার বস্তা, গুন্ডা বাহিনী আর সংগঠিত প্রচারযন্ত্রের মাধ্যমে ঘৃণা, বিদ্বেষ আর হিংসার পারদ চড়ছে প্রতিদিন। রুটি-রুজির সংকট, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা, চিকিৎসার সমস্যায় জেরবার শান্তিপ্রিয় খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক বিভাজন, মেরুকরণ, সংঘর্ষ আর অশান্তির আতঙ্কে প্রহর গুনছে।

বিজেপির আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের নামে এ রাজ্যে গত কয়েক মাস ধরে বাস্তবে জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। অনুপ্রবেশের ধুয়া তুলে জনগণের কাছে নাগরিকত্বের প্রমাণ চাইছে, যা কমিশনের অধিকারের মধ্যে পড়ে না। ঘন ঘন নির্দেশিকা বদল, ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র নামে অসংখ্য বৈধ নাগরিককে, বিশেষ করে সংখ্যালঘু, মহিলা, মতুয়া সম্প্রদায়, আদিবাসী ও গরিব মানুষকে নোটিশ ধরিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয়, তার মধ্যে বিচারপতি, বিএলও, প্রাক্তন সাংসদ, সচিব রয়েছেন। এঁদের সকলকে বিজেপি রোহিঙ্গা, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী বলে দাগিয়ে দিয়ে, নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিয়ে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ও হিংসার বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। অন্য দিকে এসআইআরের আতঙ্ক ও মানসিক চাপে বিএলও সহ দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু এবং আত্মহত্যার মতো বহু ঘটনা ঘটেছে। বিজেপি হিন্দুদের রক্ষাকর্তা সাজতে চাইলেও মতুয়া সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার কোনও ব্যবস্থাই করল না। এক দিকে সারা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও প্রশাসন দলদাসে পরিণত। অন্য দিকে কেন্দ্রীয় শাসক বিজেপির নির্দেশে নির্বাচন কমিশন সমস্ত রীতি-নিয়ম ভেঙে নানা নির্দেশ জারি করছে। এমনকি মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবকে রাতারাতি সরিয়ে দেওয়ার মতো নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে।
রাজ্যে রাজ্যে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীরা সরাসরি দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের হয়রানি, নির্যাতন এমনকি হত্যা করার জন্য উগ্র ধর্মান্ধ দলীয় বাহিনীকে যে ভাবে উস্কানি দিচ্ছেন তা নজিরবিহীন, যার সাথে ধর্মের কোনও সম্পর্ক থাকতে পারে না। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, ধর্মীয় অন্ধতা ও গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এই বাংলায় একদিন রামমোহন বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ নজরুল ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরেছিলেন, আর আজ একবিংশ শতাব্দীতে ধর্মগ্রন্থ পাঠকেও নির্বাচনী দ্বন্দ্বে ব্যবহার করছে শাসক দলগুলি। এরমধ্যে ধর্মীয় মূল্যবোধ কিংবা ভক্তির চিহ্নমাত্র নেই। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস হিন্দু ভোটব্যাঙ্করক্ষার স্বার্থে একদিকে জগন্নাথ মন্দির, দুর্গা ও মহাকাল মন্দির প্রতিষ্ঠা করছে, অন্য দিকে মুসলিম ভোটের জন্য বিজেপির উগ্র সাম্প্রদায়িকতায় আতঙ্কিত মুসলমান জনগণের কাছে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চেষ্টা করছে। মুখ্যমন্ত্রী একটি ‘সম্প্রদায়’ ঐক্যবদ্ধ হলে কী ঘটতে পারে, সেই ভয় দেখিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তার পাল্টা ‘বেছে বেছে হিসাব নেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদার দুই ব্যক্তি এই ভাবে সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করছেন, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

এরই সাথে আমরা দেখছি, পুঁজিপতিদের সীমাহীন শোষণে দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা তলানিতে। লক্ষ লক্ষ কলকারখানা বন্ধ। মূল্যবৃদ্ধির চাপে মানুষের জীবনে ভয়াবহ অবস্থা। সারা দেশের সাথে এ রাজ্যের বেকার সমস্যা সর্বকালের রেকর্ড স্পর্শ করেছে। দীর্ঘদিনের স্কিম ওয়ার্কারদের ন্যায়সঙ্গত দাবি কেন্দ্র, রাজ্য কোনও সরকারই মানছে না। চা বাগানের শ্রমিকরা চরম বঞ্চিত। অসহায় চা বাগান শ্রমিকের ঘরের মেয়েরা দলে দলে পাচার চক্রের শিকার হচ্ছেন। সামান্য মজুরিতে, এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটা কাজ পাওয়ার জন্য রাজ্যে রাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে যুবকরা। শুধু বাংলা ভাষায় কথা বলার জন্য বিশেষ করে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের অশেষ লাঞ্ছনা এমনকি মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হচ্ছে। মাত্র কয়েকদিন আগে কলকাতাতে বদ্ধ গোডাউনে জীবন্ত পুড়ে ছাই হয়ে গেছেন মোমো কারখানার প্রায় চল্লিশ জন শ্রমিক। স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে সরকার বেকার যুবকদের সামান্য ভাতার উপর নির্ভরশীল করাচ্ছে এবং নানা কিসিমের প্রকল্প চালু করে সরকারি টাকায় ভোট কেনার ব্যবস্থা করছে।
দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেস এ দেশের পুঁজিপতি শ্রেণির সেবা করেছে। বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতায় দেশি-বিদেশি পুঁজিপতিদের স্বার্থে কেন্দ্রের শাসক বিজেপি সরকার চরম শ্রমিক স্বার্থবিরোধী চারটি শ্রম কোড চালু করে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি, নিরাপত্তা সহ অর্জিত অধিকার কেড়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। স্থায়ী চাকরির ধারণাই তুলে দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় একচেটিয়া পুঁজিমালিকদের স্বার্থ রক্ষা করতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কৃষক, মৎস্যজীবী, পশুপালক সহ সাধারণ মানুষের জীবন জীবিকার স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে আমেরিকার সাথে বাণিজ্য চুক্তি করেছে। এই চুক্তির দ্বারা জনগণের স্বার্থ এবং সম্মানবোধকে পুঁজিপতিদের স্বার্থে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে। খাদ্যশস্য, দুধ ও দুগ্ধজাত দ্রব্যের বাজার দখল করে নেবে মার্কিন বহুজাতিক পুঁজি। ফলে এ দেশের কৃষকরা সীমাহীন বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে। অন্য দিকে মার্কিন ও ইজরায়েলি যুদ্ধবাজরা একতরফা ভাবে ইরান আক্রমণ করায় তেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা আছে। এই সুযোগে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে রান্নার গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শিশু-নারী সমেত গণহত্যার নায়ক এই মার্কিন ও ইজরায়েলি শাসকদের সাথে মোদি সরকারের দৃষ্টিকটু মাখামাখি সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী লড়াইয়ের ঐতিহ্য বহনকারী ভারতের গণতন্ত্রপ্রেমী জনসাধারণকে ব্যথিত করছে।

কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ চালু করে একদিকে শিক্ষার সর্বাত্মক বেসরকারিকরণ শুরু করেছে। অন্য দিকে শিক্ষার মর্মবস্তু বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদকে ধ্বংস করতে উদ্যত হয়েছে। রাজ্য সরকার কার্যত সেই শিক্ষানীতিকেই চালু করছে। চূড়ান্ত দুর্নীতি, অপশাসন ও অপদার্থতায় ডুবে থাকা এ রাজ্যের শাসক তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত শ্রমিক, কৃষক, সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিরোধী ফ্যাসিস্ট বিজেপির মধ্যে চেহারা ও শক্তির তারতম্য ছাড়া মৌলিক কোনও পার্থক্য নেই। মালিক শ্রেণি পরিচালিত সংবাদমাধ্যম তাদের সর্বাত্মক প্রচারে শাসক শ্রেণির স্বার্থ রক্ষাকারী দুই দলের মধ্যে চূড়ান্ত মেরুকরণ তৈরি করতে শুরু করেছে। ফুটন্ত তেলের কড়াই, না হয় জ্বলন্ত উনুন, জনসাধারণকে এই দুইয়ের মধ্য থেকেই বিকল্প বেছে নিতে কার্যত বাধ্য করা হচ্ছে।
অন্য দিকে কেন্দ্র ও রাজ্যের শাসক দলগুলির বিরুদ্ধে যখন শক্তিশালী বামপন্থী আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন ছিল তখন তার পরিবর্তে সিপিএম সহ বামপন্থী বলে পরিচিত দলগুলির ভূমিকা খুবই দুঃখজনক। যে কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সুদীর্ঘ লড়াই করে বামপন্থী আন্দোলনের মর্যাদা ও গৌরব, সেই কংগ্রেসের সঙ্গে কয়েকটি আসনের জন্য সারা ভারতে ঐক্য এবং এ রাজ্যে ঐক্য করার চেষ্টা সহ সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে ঐক্য গড়ে তুলেছে। বহু বাম মনোভাবাপন্ন মানুষ এতে গভীরভাবে মর্মাহত।

এস ইউ সি আই (সি) কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলির জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে গণআন্দোলন এবং শ্রেণি সংগ্রাম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে মার্ক্সবাদী চিন্তানায়ক শিবদাস ঘোষের শিক্ষার ভিত্তিতে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গণকমিটিগুলি গড়ে তোলার কাজে সর্বশক্তি নিয়ে নিয়োজিত রয়েছে। মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ-শিবদাস ঘোষের চিন্তাধারার বৈপ্লবিক রাজনৈতিক লাইনের ভিত্তিতে এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে আমরা বহু দাবি আদায় করেছি। বহু অন্যায় প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছি। আর জি করের নির্যাতিতার ন্যায়বিচার সহ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন, সারা রাজ্যে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, আশাকর্মীদের ঐতিহাসিক লাগাতার কর্মবিরতি আন্দোলন, সর্বনাশা জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিল করার দেশব্যাপী আন্দোলন, স্মার্ট মিটার বিরোধী বিদ্যুৎ আন্দোলন, দেশব্যাপী কৃষক আন্দোলন ইত্যাদি অসংখ্য গণআন্দোলনে সারা দেশে, রাজ্যে এবং আঞ্চলিক স্তরে আমাদের দল সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে—কোথাও প্রত্যক্ষভাবে আবার কোথাও গণকমিটির মাধ্যমে গড়ে তুলছে। এই আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবেই আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। গণআন্দোলনের শক্তি হিসেবে আমাদের দলকে ভোট দিয়ে জনজীবনের জ্বলন্ত সমস্যাগুলি সমাধানের সংগ্রামকে শক্তিশালী করার আবেদন জানাচ্ছি।
গণদাবী ৭৮ বর্ষ ৩২ সংখ্যা ২০-২৬ মার্চ ২০২৬
| ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ২৩০ আসনে এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) প্রার্থী তালিকা | |
| জেলা | প্রার্থী ও কেন্দ্র |
| কোচবিহার | ১) হিতেন বর্মন (মেখলিগঞ্জ), ২) বিকাশ বর্মন (মাথাভাঙা), ৩) স্বপন কুমার বর্মন (কোচবিহার উত্তর), ৪) সুমন পণ্ডিত (কোচবিহার দক্ষিণ), ৫) জগদীশ চন্দ্র অধিকারী (শীতলকুচি), ৬) বীণাপাণি রায় (সিতাই), ৭) আজিজুল হক (দিনহাটা), ৮) আবদুস সালাম (নাটাবাড়ি), ৯) ভোলা সাহা (তুফানগঞ্জ) |
| আলিপুরদুয়ার | ১০) নাম পরে জানানো হবে (কালচিনি), ১১) পীযূষ কান্তি শর্মা (আলিপুরদুয়ার), ১২) উকিল চন্দ্র ভূঁইমালি (ফালাকাটা), ১৩) গোপাল খেশ (মাদারিহাট) |
| জলপাইগুড়ি | ১৪) প্রিয়া রায় (ধূপগুড়ি), ১৫) শ্যামল রায় (ময়নাগুড়ি), ১৬) যশোদা বর্মন (জলপাইগুড়ি), ১৭) অনন্ত রায় (রাজগঞ্জ), ১৮) শিবনাথ ওরাওঁ (মাল), ১৯) রাজেশ ওরাওঁ (নাগরাকাটা) |
| দার্জিলিং | ২০) রেনুকা রায় (ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি), ২১) লক্ষ্মী দাস (মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি), ২২) ডাঃ শাহরিয়ার আলম (শিলিগুড়ি), ২৩) প্রকাশ লাকরা (ফাঁসিদেওয়া) |
| উত্তর দিনাজপুর | ২৪) বীরেন্দ্রনাথ সিংহ (ইসলামপুর), ২৫) নবীন চন্দ্র সিংহ (গোয়ালপোখর), ২৬) পরে জানানো হবে (চাকুলিয়া), ২৭) সুশান্ত সিংহ (করণদিঘি), ২৮) দিলীপ দেবনাথ (হেমতাবাদ), ২৯) ধুলেশ বর্মন (কালীগঞ্জ), ৩০) মাধবীলতা পাল (রায়গঞ্জ), ৩১) তপন দাস (ইটাহার) |
| দক্ষিণ দিনাজপুর | ৩২) যোগেন হেমব্রম (কুমারগঞ্জ), ৩৩) নমিতা মহন্ত (বালুরঘাট), ৩৪) বিকাশ নোনা (তপন), ৩৫) অমৃত বর্মন (গঙ্গারামপুর), ৩৬) ললিত ওরাওঁ (হরিরামপুর) |
| মালদা | ৩৭) বিমল মুর্মু (হাবিবপুর), ৩৮) সুপেন কুমার রায় (গাজল), ৩৯) ঝন্টু কুমার রবিদাস (চাঁচল), ৪০) মুশারফ হোসেন (হরিশ্চন্দ্রপুর), ৪১) গৌতম সরকার (ইংলিশ বাজার), ৪২) আনন্দ ঘোষ (বৈষারব নগর), ৪৩) বাসুদেব সরকার (মালদা) |
| মুর্শিদাবাদ | ৪৪) রবিউল হক (সামসেরগঞ্জ), ৪৫) অনুপ সিনহা (সুতি), ৪৬) মির্জা নাসিরুদ্দিন (জঙ্গিপুর), ৪৭) রবিউল আলম (রঘুনাথগঞ্জ), ৪৮) মির্জা লুতফল হক (সাগরদিঘি), ৪৯) মুনতাসির জামিল (লালগোলা), ৫০) ওমর খৈয়াম (ভগবানগোলা), ৫১) শ্যামল মণ্ডল (রানিনগর), ৫২) মিলিয়া সাজেম (মুর্শিদাবাদ), ৫৩) বরুণ মণ্ডল (নবগ্রাম), ৫৪) শ্রীকান্ত দাস (কান্দি), ৫৫) বাবর আলি (রেজিনগর), ৫৬) সরিফুল ইসলাম (বেলডাঙা), ৫৭) দিলীপ দাস (বহরমপুর), ৫৮) আবু সায়ীদ খন্দকার (হরিহরপাড়া), ৫৯) আবদুস সালাম (নওদা), ৬০) আয়েশা সিদ্দিকা (ডোমকল), ৬১) এনামুল হক (জলঙ্গি) |
| নদিয়া | ৬২) ধনপতি মণ্ডল (করিমপুর), ৬৩) নাজমুল আনসারি (তেহট্ট), ৬৪) আনারুল হক (পলাশিপাড়া), ৬৫) মহিউদ্দিন মণ্ডল (কালীগঞ্জ), ৬৬) মশিকুর রহমান (নাকাশিপাড়া), ৬৭) মোজাম্মেল হোসেন মণ্ডল (চাপড়া), ৬৮) জয়দীপ চৌধুরী (কৃষষ্ণরনগর উত্তর), ৬৯) প্রবীর দে (কৃষষ্ণরনগর দক্ষিণ), ৭০) অপর্ণা গুহ (রানাঘাট উত্তর পশ্চিম), ৭১) অসিত বরণ বিশ্বাস (কৃষ্ণগঞ্জ), ৭২) জগদীশ মণ্ডল (রানাঘাট উত্তর পূর্ব), ৭৩) ননী গোপাল মিস্ত্রী (রাণাঘাট দক্ষিণ), ৭৪) অর্চনা ভট্টাচার্য (চাকদহ), ৭৫) প্রাণকৃষ্ণ বিশ্বাস (কল্যাণী) |
| উত্তর ২৪ পরগণা | ৭৬) বিপ্লব দাস (হরিণঘাটা), ৭৭) স্বপন মণ্ডল (বাগদা), ৭৮) শ্যামসুন্দর হালদার (বনগাঁ উত্তর), ৭৯) রবীন্দ্রনাথ বারুই (বনগাঁ দক্ষিণ), ৮০) শিবানী মজুমদার (গাইঘাটা), ৮১) প্রবোধ সরকার (হাবড়া), ৮২) তারক দাস (অশোকনগর), ৮৩) কামাল উদ্দিন (আমডাঙা), ৮৪) অভিজিৎ মুখার্জী (বারাসাত), ৮৫) সাদেক মণ্ডল (দেগঙ্গা), ৮৬) অজিত মণ্ডল (স্বরূপনগর), ৮৭) নিতাই কৃষ্ণ পাল (বাদুড়িয়া), ৮৮) হিরণ্ময় মণ্ডল (বসিরহাট দক্ষিণ), ৮৯) অপর্ণা বিশ্বাস (মধ্যমগ্রাম), ৯০) সীমা নন্দী (বীজপুর), ৯১) সঞ্জয় রায় (নৈহাটি), ৯২) সুজিত বোস (ভাটপাড়া), ৯৩) প্রণব চৌধুরী (জগদ্দল), ৯৪) চন্দ্রশেখর চৌধুরী (পানিহাটি), ৯৫) অমল সেন (ব্যারাকপুর) |
| দক্ষিণ ২৪ পরগণা | ৯৬) হরিপদ মণ্ডল (গোসাবা), ৯৭) মিলন বিশ্বাস (বাসন্তী), ৯৮) রামপ্রসাদ মিস্ত্রি (ক্যানিং পশ্চিম), ৯৯) পরে জানানো হবে (ক্যানিং পূর্ব), ১০০) নারায়ণ চন্দ্র হালদার (পাথরপ্রতিমা), ১০১) ঝন্টু মাইতি (কাকদ্বীপ), ১০২) অনুপম পানি (সাগর), ১০৩) যমুনা তাঁতি (কুলপী), ১০৪) নিরঞ্জন নস্কর (জয়নগর), ১০৫) জয়দেব নস্কর (বারুইপুর পূর্ব), ১০৬) প্রদ্যুৎ চক্রবর্তী রিন্টুদা (বারুইপুর পশ্চিম), ১০৭) শঙ্কর নস্কর (কুলতলী), ১০৮) গুণসিন্ধু হালদার (রায়দিঘি), ১০৯) শিশির মণ্ডল (মন্দিরবাজার), ১১০) সোমনাথ নস্কর (মগরাহাট পূর্ব), ১১১) গোরা জমাদার (মগরাহাট পশ্চিম) |
| কলকাতা | ১১২) শম্পা সরকার (কসবা), ১১৩) অধ্যাপক দেবব্রত বেরা (যাদবপুর), ১১৪) অনিন্দ্য রায়চৌধুরী (সোনারপুর উত্তর), ১১৫) সুমিতা ব্যানার্জী মুখার্জী (টালিগঞ্জ), ১১৬) আশীষ সামন্ত (বেহালা পূর্ব), ১১৭) সঞ্জয় বিশ্বাস (বেহালা পশ্চিম), ১১৮) সঙ্গীতা ভক্ত (মহেশতলা), ১১৯) বাসুদেব কাবড়ি (বজবজ), ১২০) রীণা রায় (মেটিয়াবুরুজ), ১২১) শ্রীচাঁদ বিন্দ (কলকাতা পোর্ট), ১২২) অনুমিতা সাউ (পানি) (ভবানীপুর), ১২৩) দিলীপ হালদার (রাসবিহারী), ১২৪) আয়সানুল হক (বালিগঞ্জ), ১২৫) প্রবীর শীল (চৌরঙ্গী), ১২৬) ডাঃ সামস মুসাফির (এন্টালি), ১২৭) মানস মুখার্জী (বেলেঘাটা), ১২৮) ডাঃ অংশুমান মিত্র (জোড়াসাঁকো), ১২৯) অধ্যাপক গৌরাঙ্গ খাটুয়া (শ্যামপুকুর), ১৩০) সুবীর সামন্ত (মানিকতলা), ১৩১) ডাঃ নীলরতন নাইয়া (কাশীপুর বেলগাছিয়া), ১৩২) নীরেন কর্মকার (দমদম), ১৩৩) সুনীল নস্কর (রাজারহাট নিউটাউন), ১৩৪) উমা পণ্ডা (বিধাননগর), ১৩৫) উত্তম পাল (সাতগাছিয়া), ১৩৬) মিনতি মিত্র (সোনারপুর দক্ষিণ), ১৩৭) সুপ্রিয় ভট্টাচার্য (বরানগর), ১৩৮) সুবীর চৌধুরী (রাজারহাট গোপালপুর) |
| হাওড়া | ১৩৯) পুতুল চৌধুরী (বালি), ১৪০) শ্রীরূপ দাস (হাওড়া মধ্য), ১৪১) কার্তিক শীল (শিবপুর), ১৪২) রীতা ঘোষাল (হাওড়া দক্ষিণ), ১৪৩) সুখেন মণ্ডল (উলুবেড়িয়া পূর্ব), ১৪৪) জয়ন্ত খাটুয়া (উলুবেড়িয়া দক্ষিণ), ১৪৫) অলোক দলপতি (শ্যামপুর), ১৪৬) বিশ্বনাথ বেরা (বাগনান), ১৪৭) সঞ্জীব সাঁতরা (আমতা) |
| হুগলি | ১৪৮) তপন চৌধুরী (উত্তরপাড়া), ১৪৯) সমীর সরকার (আরামপুর), ১৫০) সুকান্ত পোড়েল (সিঙ্গুর), ১৫১) শুকদেব বিশ্বাস (বলাগড়), ১৫২) শ্যামলী কুমার (পাণ্ডুয়া), ১৫৩) বিশ্বনাথ ঘোষ (হরিপাল), ১৫৪) পরে জানানো হবে (চন্দননগর) |
| পূর্ব মেদিনীপুর | ১৫৫) অরুণ জানা (তমলুক), ১৫৬) আনন্দ হাণ্ডা (পাঁশকুড়া পূর্ব), ১৫৭) স্নেহলতা সাহু (পাঁশকুড়া পশ্চিম), ১৫৮) জগদীশ মাইতি (ময়না), ১৫৯) সৌমিত্র পট্টনায়ক (নন্দকুমার), ১৬০) তপন মাইতি (মহিষাদল), ১৬১) শুভেন্দু শেখর দাস (হলদিয়া), ১৬২) বিমল কুমার মাইতি (নন্দীগ্রাম), ১৬৩) রীতা ভৌমিক (চণ্ডীপুর), ১৬৪) সূর্যেন্দু পাত্র (পটাশপুর), ১৬৫) সুভাষ পয়রা (কাঁথি উত্তর), ১৬৬) গোপাল পাত্র (ভগবানপুর), ১৬৭) পবিত্র মণ্ডল (খেজুরি), ১৬৮) রফিকুল ইসলাম (কাঁথি দক্ষিণ), ১৬৯) নারায়ণ বর্মন (রামনগর), ১৭০) সনাতন গিরি (এগরা) |
| ঝাড়গ্রাম | ১৭১) কালীচরণ বেসরা (নয়াগ্রাম), ১৭২) ধর্মপাল বিশুই (গোপীবল্লভপুর), ১৭৩) সুভাষ সিংহ (ঝাড়গ্রাম), ১৭৪) রাজীব মুদি (বিনপুর) |
| পশ্চিম মেদিনীপুর | ১৭৫) সুভাষ দাস (দাঁতন), ১৭৬) সুনীল সিং (কেশিয়াড়ি), ১৭৭) শ্যামাপদ জানা (নারায়ণগড়), ১৭৮) সুরঞ্জন মহাপাত্র (খড়গপুর সদর), ১৭৯) তপন শাসমল (সবং), ১৮০) শিশির মান্না (পিংলা), ১৮১) অক্ষয় খান (খড়গপুর), ১৮২) দীপঙ্কর মাইতি (ডেবরা), ১৮৩) অঞ্জন জানা (চন্দ্রকোণা), ১৮৪) তাপস মিশ্র (গড়বেতা), ১৮৫) ঝর্ণা জানা (শালবনী), ১৮৬) হারাধন সিং (কেশপুর), ১৮৭) সুশ্রীতা সোরেন (মেদিনীপুর), ১৮৮) নাড়ুগোপাল দোলোই (ঘাটাল), ১৮৯) জগদীশ মণ্ডল অধিকারী (দাসপুর) |
| পুরুলিয়া | ১৯০) পরে জানানো হবে (বান্দোয়ান), ১৯১) ভোলানাথ মুর্মু (বলরামপুর), ১৯২) পরিতোষ সিং বাবু (বাঘমুণ্ডি), ১৯৩) সুফল কুমার (জয়পুর), ১৯৪) শোভা মাহাত (পুরুলিয়া), ১৯৫) স্বপন মুর্মু (মানবাজার), ১৯৬) দীপক মাহাতো (কাশীপুর), ১৯৭) জগন্নাথ বাউরী (পাড়া), ১৯৮) অনিল বাউরী (রঘুনাথপুর) |
| বাঁকুড়া | ১৯৯) দীপেন বাউরী (শালতোড়া), ২০০) অবিনাশ হাঁসদা (ছাতনা), ২০১) রঞ্জনলাল টুডু (রানিবাঁধ), ২০২) গুণারাম হাঁসদা (রায়পুর, বাঁকুড়া), ২০৩) শুভেন্দু মাহাত (তালডাংরা), ২০৪) লীনা ঘোষ (বাঁকুড়া), ২০৫) প্রদীপ বাউরী (বড়জোড়া), ২০৬) মাগারাম ঘোষ (ওন্দা), ২০৭) শশীভূষণ ব্যানার্জী (বিষ্যুরপুর), ২০৮) মোহন সাঁতরা (কোতুলপুর), ২০৯) দিলীপ সাহা (সোনামুখী) |
| পূর্ব বর্ধমান | ২১০) অধ্যাপিকা ঝর্ণা পাল (বর্ধমান দক্ষিণ), ২১১) অতসী পাকড়ে (জামালপুর), ২১২) নীলরতন বিশ্বাস (কালনা), ২১৩) অপূর্ব চক্রবর্তী (কাটোয়া), ২১৪) সত্যনারায়ণ মণ্ডল (কেতুগ্রাম), ২১৫) রসিক সোরেন (মঙ্গলকোট), ২১৬) মনসা মেটে (আউশগ্রাম), ২১৭) প্রভাত মাঝি (পূর্বস্থলী দক্ষিণ) |
| পশ্চিম বর্ধমান | ২১৮) দনা গোস্বামী (পাণ্ডবেশ্বর), ২১৯) কিরণময়ী মণ্ডল (দুর্গাপুর পূর্ব), ২২০) সোমনাথ ব্যানার্জী (দুর্গাপুর পশ্চিম), ২২১) অনুপ ভট্টাচার্য (আসানসোল দক্ষিণ), ২২২) কল্লোল রায় (আসানসোল উত্তর), ২২৩) দেবসর বেসরা (বারাবনি) |
| বীরভূম | ২২৪) নিতাই অঙ্কুর (সিউড়ি), ২২৫) সমরজিৎ বর্মন (বোলপুর), ২২৬) নব কুমার দাস (সাঁইথিয়া), ২২৭) ফরিদা ইয়াসমিন (রামপুরহাট), ২২৮) সুবর্ণ মাল (হাসন), ২২৯) মার্শাল হেমব্রম (নলহাটি), ২৩০) বাঞ্ছারাম মাল (মুরারই) |