
এআইইউটিইউসি অনুমোদিত দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে দোকানদার কল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে ও অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়নের সহযোগে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে। ১৯ মে কলকাতার ধর্মতলায় লেনিন মূর্তির সামনে থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল হয়। নেতৃত্ব দেন এআইইউটিইউসি-র রাজ্য সম্পাদক অশোক দাস, সহসভাপতি শান্তি ঘোষ প্রমুখ। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা মিছিলে অংশ নেন। বর্ধমান শহর জনপ্রিয় হকার্স ইউনিয়নের উদ্যোগ ও অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়নের সহায়তায় হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। বাঁকুড়ার মাচানতলায় অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছে। ডায়মন্ডহারবার, ক্যানিং, বারুইপুর জয়নগর, দক্ষিণ বারাসাত ও মালদায় অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়ন প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলছে। অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে বীরভূম জেলার সিউড়ি শহরে উচ্ছেদ হওয়া হকাররা পুনর্বাসন পেয়েছেন। শিয়ালদা ও খড়গপুরের ডিআরএম এবং হাওড়া রেলওয়ে ম্যানেজারের কাছে হকারদের ন্যায়সঙ্গত দাবি নিয়ে বিক্ষোভ-ডেপুটেশন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা অল বেঙ্গল হকার্স ইউনিয়ন সমন্বয় কমিটি রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন দিয়ে রেল হকারদের হকার আইনের অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। বারুইপুর, ক্যানিং ও সোনারপুরে হকারদের দাবি নিয়ে রেল অবরোধ হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারেও দীর্ঘদিন ধরে হকারদের সংগঠিত করে আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। কলকাতা ভ্রাম্যমান হকার্স ইউনিয়নের নেতৃত্বে জাতীয় সড়কের উপরে হকার উচ্ছেদের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন চলছে। আন্দোলন করেই হকাররা তাঁদের পেশাকে আজও রক্ষা করে রাখতে পেরেছেন। খুচরো ব্যবসায় বৃহৎ পুঁজিকে রুখতে হকারদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া বিকল্প পথ নেই।