
২৩ জুলাই রাজ্যের সমস্ত জেলায় স্মার্ট মিটারের বিরুদ্ধে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছিল বিদ্যুৎ গ্রাহক সংগঠন অ্যাবেকা। রাজ্যের ২৩টি জেলার ২০০-র বেশি স্থানে বিদ্যুৎ গ্রাহকরা আধ ঘণ্টার এই মানববন্ধনে শামিল হন।
সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত বিশ্বাস ওই দিন এক বিবৃতিতে এর জন্য গ্রাহকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, অ্যাবেকার নেতৃত্বে লাগাতার ব্যাপক গ্রাহক আন্দোলন মুখ্যমন্ত্রীকে বাধ্য করেছে ‘স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয়’ ঘোষণা করতে। তিনি কিছুদিন আগে বিদ্যুৎ ভবনে সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, সরকারি কর্মচারী, কমার্শিয়াল এবং ক্ষুদ্রশিল্প বিদ্যুৎ গ্রাহকদের স্মার্ট মিটার লাগানো হবে। গৃহস্থদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে আস্তে আস্তে লাগানো বাধ্যতামূলক হবে। কিন্তু আন্দোলনের ফলে পিছু হটে বিধানসভায় তিনি ঘোষণা করেছেন, স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয়। সাথে সাথে বললেন, বিদ্যুতের বিল গৃহস্থদের প্রতি মাসেই দেওয়া হবে। তাতে গৃহস্থ গ্রাহকদের অনেক উপকার হবে।
সুব্রত বিশ্বাস বলেন, কোনও অজুহাতেই গ্রাহকদের লুট করার যন্ত্র স্মার্ট মিটার পশ্চিমবাংলায় আমরা লাগাতে দেব না। এর প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে লাগাতার গ্রাহক আন্দোলন চলছে। দলমত নির্বিশেষে স্মার্ট মিটার প্রতিরোধ কমিটি গঠন করে এই আন্দোলন গড়ে উঠেছে। যার চাপে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীকে স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক নয় বলে ঘোষণা করতে হয়েছে। যতদিন আরডিএসএস স্কিম অনুযায়ী স্মার্ট মিটার লাগানো সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা না হয় ততদিন পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।
তিনি বলেন, তিন মাসের একত্রে বিল না হয়ে প্রতি মাসে বিল হলে মোট টাকার পরিমাণের কোনও হেরফের হয় না। সে কারণে গৃহস্থ গ্রাহকদের তেমন কোনও উপকার হবে না।