
হলদিবাড়িঃ ১২ মার্চ কোচবিহার জেলার হলদিবাড়িতে গণ মিছিল ও বিডিও অফিস অভিযানকে সামনে রেখে ভোটাধিকার রক্ষা মঞ্চ হলদিবাড়িতে সড়ক অবরোধ করে। সহস্রাধিক মানুষের অংশগ্রহণে গণমিছিল হলদিবাড়ি বিডিও অফিসে আছড়ে পরে। মিছিলে প্রত্যেকের দাবি ছিল নির্বাচন কমিশনের বৈধ নাগরিকদের হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং সকল নাগরিকের ভোটাধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে।
পূর্ব মেদিনীপুরঃ জেলায় প্রথম দফায় ১ লক্ষ ৪১ হাজার ভোটারের নাম বাতিল হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারির প্রকাশিত তালিকা ফের ৩৭৪০ জনের নাম বাতিল ও ৮০ হাজার ১৭৬ জন বিচারাধীন বলে উল্লেখ করা হয়। ১২ মার্চ দলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জেলাশাসক দপ্তরে বিক্ষোভ অভিযান কর্মসূচি হয়। স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়– ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় থাকা প্রতিটি ভোটারের ভোটদানের অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে, সমস্ত নথিপত্র জমা দেওয়ার সত্ত্বেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ডিলিটেড এবং বিচারাধীন বলে চিহ্নিত সমস্ত নাগরিকের নাম ভোটার তালিকাভুক্ত করতে হবে, কোনও যোগ্য ভোটারের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া চলবে না।
মুর্শিদাবাদঃ বিচারাধীন বৈধ ভোটারদের নাম তালিকাভুক্ত করা, এসআইআর চলাকালীন মৃত মানুষ ও বিএলও-দের পরিবারবর্গকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, বিবেচনাধীন সমস্ত ভোটারকে বৈধ তালিকাভুক্ত করা এবং জনবিরোধী এসআইআর বাতিলের দাবিতে ১৫ মার্চ রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লকের গণকনভেনশন সম্মতিনগরের রঞ্জিতপুরে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন জিল্লার রহমান।
এনআরসি-বিরোধী গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন অমিতাভ মণ্ডল। খসড়া প্রস্তাব পাঠ করেন শিক্ষক কাউসার শেখ, খসড়া প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ আশাকর্মী ইউনিয়নের ব্লক সম্পাদিকা মাজকুরাতননেসা, শিক্ষক রিন্টু শেখ, আজমাইল সেখ, শিক্ষক সারওয়ার আলম প্রমুখ। কনভেনশনের প্রধান বক্তা এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের জেলা যুগ্ম সম্পাদক গৌতম সাহা তাঁর বক্তব্যে এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় এসআইআর আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। কনভেনশনে জিল্লার রহমানকে সভাপতি, কাউসার শেখকে সম্পাদক ও রিন্টু শেখকে কোষাধ্যক্ষ করে ১৯ জনের এসআইআর বিরোধী নাগরিক কমিটি গঠিত হয়। কনভেনশন পরিচালনা করেন ডাঃ রবিউল আলম।