
পশু জবাই সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের গত ১৩ মে জারি করা বিধির ফলে রাজ্যের সমস্ত পশুহাটগুলি প্রায় তিন মাস ধরে বন্ধ। ফলে রাজ্যের পশু ব্যবসায়ী ও গো-পালক হাজার হাজার মানুষ প্রবল অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। এই অবস্থায় এই নয়া বিধি প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ৮টি জেলায় গড়ে উঠেছে জেলা সমিতি। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম সহ পাঁচটি জেলায় বিক্ষোভ মিছিল এবং জেলাশাসক ও প্রাণীসম্পদ বিকাশ বিভাগে গণডেপুটেশনের কর্মসূচি হয়।
অবিলম্বে পশুপক্ষী হাটগুলি চালু করার দাবিতে ৮ আগস্ট সারা বাংলা পশুপক্ষী হাট বাঁচাও সমিতির ডাকে কলকাতার ভারত সভা হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সারা বাংলা কনভেনশন। ডাঃ আব্দুল আলি খান, মইনুল রেজা মণ্ডল, শেখ আসপিয়ার আলি, নাজমে আলম ও দিলীপ কুণ্ডু কে নিয়ে গঠিত সভাপতিমণ্ডলীর সভাপতি আবুয়েল শুশাহানা মণ্ডল কনভেনশন পরিচালনা করেন। মূল প্রস্তাব উত্থাপন করেন সভাপতি আবুয়েল শুশাহানা মণ্ডল। সমর্থনে বক্তব্য রাখেন প্রস্তুতি কমিটির অন্যতম আহ্বায়ক দিলীপ কুণ্ডু। বিভিন্ন জেলার হাটগুলি থেকে আসা প্রতিনিধিরা মূল প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন এবং এই বিধি প্রত্যাহারে সরকারকে বাধ্য করতে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ১১টি জেলার ৪০টি হাটের প্রতিনিধিদের নিয়ে নির্বাচিত হয় ‘সারা বাংলা পশুপক্ষী হাট বাঁচাও সমিতি’। বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের কৃষক-মজুর আন্দোলন ও ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যান রূপায়ণ সংগ্রাম কমিটির নেতা পঞ্চানন প্রধান। ২৫ আগস্ট কলকাতায় মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে বিভাগীয় মন্ত্রীর কাছে গণডেপুটেশন দেওয়া হবে।