
কলকাতা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কাশীপুর ঘোষবাগান অঞ্চলে রেল কলোনির বাসিন্দাদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে ১৯ ফেব্রুয়ারি নাগরিক প্রতিরোধ মঞ্চের পক্ষ থেকে চিৎপুর থানায় বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষ। পরে ডেপুটেশন দেওয়া হয়।
কাশীপুর রিজেন্ট সিনেমা মোড়ে সমবেত হয়়ে সহস্রাধিক মানুষের সুশৃঙ্খল মিছিল থানার সামনে উপস্থিত হন। পুলিশ বাহিনী বাধা দিলে গেটের সামনেই বিক্ষোভসভা হয়। মঞ্চের অন্যতম নেতা শান্তি ঘোষ ও অধ্যাপক মেঘবরণ হাইতির নেতৃত্বে এলাকার বাসিন্দা টুম্পা রায়, নরসিম যাদব ও ফাল্গুনি প্রামাণিক সহ পাঁচজনের প্রতিনিধিদল ডেপুটেশন দিতে যান। দাবি জানানো হয়, এসআইআর-এ বিপর্যস্ত মানুষজনকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়েই বার বার হুমকি সহ উচ্ছেদের কথা বলে আতঙ্ক ও মানসিক চাপ তৈরি করা চলবে না। উপযুক্ত পুনর্বাসন ও জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা না করে এই উচ্ছেদের নোটিসের তীব্র বিরোধিতা করে প্রতিনিধিরা বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ জনগণের অর্থ ও শ্রমে গড়ে ওঠা রেলের প্ল্যাটফর্ম ও জমি রেল লাইন বৃহৎ পুঁজির হাতে ব্যবসা করে মুনাফা লোটার জন্য তুলে দিচ্ছে। পাশাপাশি রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে থাকা অসহায় গরিব মানুষকে উচ্ছেদ করবার নোটিস দিচ্ছে।
এলাকায় ফিরে আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ পাড়ায় পাড়ায় অসংখ্য কমিটি ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান জানান। ১৭ ফেব্রুয়ারি শিয়ালদহ ডিভিশনের এডিআরএম-কে স্মারকপত্র দেওয়া হয়।