
সারের কালোবাজারি রোধ, নয়া কৃষিনীতি বাতিল, ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) আইনসম্মত করা, আলুর ন্যায্য দাম, চাষের সময় সেচের ব্যবস্থা করা ও সাবমার্সিবলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করা, খেতমজুরদের ২০০ দিনের কাজ ও ৬০০ টাকা মজুরি সহ ১১ দফা দাবিতে ৮ জানুয়ারি কৃষি ও কৃষক বাঁচাও কমিটি, অল ইন্ডিয়া কিসান-খেতমজদুর সংগঠন, কিসান ঐক্য মঞ্চ, কৃষক কল্যাণ সমিতি যুক্তভাবে পূর্ব বর্ধমান জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেয় ও বাদামতলা মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় কৃষি ও কৃষক বাঁচাও কমিটির জেলা সম্পাদক অনিরুদ্ধ কুণ্ডু বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার কর্পোরেটদের স্বার্থে নয়া কৃষিনীতি কার্যকর করছে। তারা জল, জমি, বিদ্যুৎ, পাহাড় জঙ্গল সমস্ত কিছুই কর্পোরেটদের হাতে বেচে দিচ্ছে। সমস্ত ছোট-বড় কৃষি বাজার কর্পোরেটদের হাতে চলে যাবে।
সরকার সারের উপর থেকে ভর্তুকি তুলে নিয়েছে। সারে ব্যাপক কালোবাজারি চলেছে। অল ইন্ডিয়া কিসান খেতমজদুর সংগঠনের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলী সদস্য ও কমিটির জেলা সভাপতি দনা গোস্বামী বলেন, বর্তমানে আলুর দাম নেই। ফলে আলু চাষিরা তাদের গুদামজাত ফসলের দাম পাচ্ছে না। অল ইন্ডিয়া কিসান খেতমজদুর সংগঠনের জেলা সম্পাদক মোজাম্মেল হক বলেন, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার খেতমজুরদের ১০০ দিনের কাজের আইনি অধিকার কেড়ে নিচ্ছে।
আমাদের দাবি, অবিলম্বে ২০০ দিনের কাজ ও ৬০০ টাকা মজুরি দিতে হবে এবং এই প্রকল্পের কাজ অবিলম্বে শুরু করতে হবে। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সুনীল মণ্ডল, সব্যসাচী ঘোষ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। সভায় সভাপতিত্ব করেন অল ইন্ডিয়া কিসান খেতমজদুর সংগঠনের পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি অরবিন্দ সাহা।