Breaking News

প্রবীণ থেকে নবীন, কে নেই মিছিলে

রায়গঞ্জঃ অঙ্গীকার যাত্রায় ১০ ডিসেম্বর উত্তর দিনাজপুর জেলার় শিলিগুড়ি মোড় থেকে রায়গঞ্জ ইনস্টিটিউট পর্যন্ত সহস্রাধিক নারী-পুরুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। শুধুমাত্র অঙ্গীকার যাত্রায় অংশগ্রহণ নয়, অভ্যর্থনা সমিতি গঠন থেকে শুরু করে অঙ্গীকার যাত্রীদের জেলায় থাকা, খাওয়া, অভ্যর্থনা জানানো, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম–সর্বত্র জেলার নানা স্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ বিশেষভাবে প্রশংসার দাবি রাখে। কর্মসূচি রূপায়ণে জেলার বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ থেকে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের অধ্যাপক-কর্মী, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আপ্রাণ প্রচেষ্টা, বিভিন্ন স্তরের সহৃদয় ব্যবসায়ীদের উদার হস্তে চাল-ডাল-তেলমশলা ইত্যাদি খাদ্যসামগ্রী ও আর্থিক সহযোগিতা– এক কথায় অভাবনীয়। এটা খুবই উৎসাহব্যঞ্জক যে বহু শিক্ষক-অধ্যাপক নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে অর্থ তুলে দিয়েছেন, এমনকি কলেজের ছাত্রীদের অঙ্গীকার যাত্রায় শামিল হতে প্রেরণা জুগিয়েছেন।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও যে ভাবে বয়সের বাধা উপেক্ষা করে দরজায় দরজায় নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন সেটা ছাত্র-যুবসমাজকে অনুপ্রাণিত করেছে। পারিবারিক দৈনন্দিন কাজকর্ম সেরে বিভিন্ন স্তরের মহিলাদের অঙ্গীকার যাত্রার স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অক্লান্ত পরিশ্রম, নতুন করে আর জি কর আন্দোলনকে স্মরণ করিয়েছে। বিশেষত জেলার অধ্যাপিকা ও শিক্ষিকাদের নিজস্ব উদ্যোগে অঙ্গীকার যাত্রার প্রচার ও আর্থিক দায়ভার রক্ষায় ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় দায়িত্ব পালন বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে, যত বাধা-বিপত্তিই আসুক, অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ রুখে দাঁড়াবেই, যদি সঠিক পথে আন্দোলন গড়ে তোলা যায়।