
এ রাজ্যে অন্যান্য ব্যাঙ্কের মতো আইডিবিআই ব্যাঙ্কেও ক্যাশ রেমিট্যান্সের কাজে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত ক্যাশ ভ্যান কর্মীরা দীর্ঘদিন থেকে নানা বঞ্চনা বিশেষ করে আর্থিক বঞ্চনার শিকার। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা যে ঠিকাদার তথা ভেন্ডারের অধীনে কাজ করতেন তারা সরকার নির্ধারিত ন্যূনতম বেতনেরও কম বেতনে ক্যাশ ভ্যানে নিযুক্ত ড্রাইভার, ক্যাশিয়ার এবং সশস্ত্র নিরাপত্তা রক্ষীদের কাজ করতে বাধ্য করার ফলে কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এআইইউটিইউসি অনুমোদিত ‘ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ ইউনিটি ফোরামে’র সাথে যুক্ত হন। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ ভেন্ডার পরিবর্তন করে।
নতুন ভেন্ডার ‘ব়্যডিয়েন্ট ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড’ বর্তমানে কর্মরত কর্মীদের পরিবর্তে তার নিজস্ব কর্মী আনতে চাইলে ইউনিয়ন তার তীব্র বিরোধিতা করে। নতুন ভেন্ডার পিছু হঠতে বাধ্য হয়। এরপর কর্মীদের প্রথম মাসে যে মজুরি দেওয়া হয় তা পূর্বতন ভেন্ডারের চেয়ে অনেক কম।
এ নিয়ে কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দানা বাঁধে। ইউনিয়নের সঙ্গে কোনও রকম আলোচনা করতে ভেন্ডার রাজি না হওয়ায় এর প্রতিকারে ২৯ মে থেকে শুরু হয় লাগাতার কর্মবিরতি। কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিনে ব়্যডিয়েন্ট কর্তৃপক্ষ ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনায় বসে এবং বেতন বাড়াতে রাজি হয়।
এই আশ্বাসের ভিত্তিতে কর্মবিরতি তুলে নেওয়া হয়। যদিও ২০০০ টাকার কাছাকাছি যা বেতন তারা বাড়িয়েছে তা সুনির্দিষ্ট দাবির চেয়ে অনেক কম। এ নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আন্দোলনের আংশিক জয়ের জন্য ইউনিয়নের পক্ষ থেকে কর্মীদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে।