
বারাসাতঃ ১৫ ডিসেম্বরের সকাল। প্রবল শীতকে কার্যত কাবু করে ২৫৬ জন অঙ্গীকার যাত্রী এসে পৌঁছেছেন বারাসাতের বুকে।
তখন দুপুর দুটো। শীতের সূর্য তার শেষ তেজটুকু ঢেলে দিচ্ছে পৃথিবীর বুকে। একই ভাবে অঙ্গীকার যাত্রীদের অঙ্গীকারের তেজ অনুরণিত হতে হতে এগিয়ে যাচ্ছে শহরের পথচলতি মানুষের স্পন্দন থেকে স্পন্দনে। ইতিমধ্যেই জেলার অভ্যর্থনা কমিটির সদস্যরা যুক্ত হয়েছেন তাঁদের সাথে। যুক্ত হয়েছেন জেলার শতাধিক সাধারণ মানুষও।
শহর পরিক্রমার পর সদর শহরের মিলনী ময়দানে শুরু হয় সভা। জেলার অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষ থেকে অঙ্গীকার যাত্রীর অন্যতম উদ্যোক্তা কল্পনা দত্তের হাতে পুস্পস্তবক তুলে দিয়ে সম্বর্ধনা জানান কমিটির প্রেসিডেন্ট তপতী রায়। এ ছাড়াও বনগাঁ, হরিণঘাটা, মসলন্দপুর, দত্তপুকুর অভ্যর্থনা কমিটির পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা জানানো হয়। বাগদা মিড ডে মিল ওয়ার্কার্স ব্লক কমিটি, উপাসনা সঙ্গীত গোষ্ঠী, উত্তরণ সংস্থা, প্রোগ্রেস সায়েন্স অ্যান্ড কালচারাল ফোরামের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা জানানো হয় অঙ্গীকার যাত্রীদের। মাঠ তখন উপচে পড়ছে। তপতী রায় দু’চার কথা বলার পর বক্তব্য রাখলেন অভয়ার বাবা এবং মা। মাঠে উপস্থিত সকলের চোখে জল। যে সমাজ কারও কোলের সন্তানকে ধর্ষক বানায় আর কাউকে ধর্ষিতা, সে সমাজ আমরা চাই না।
সমাজের নারীর গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মলয় মণ্ডল ও শিক্ষিকা তারা বিশ্বাস। মূল বিষয়টি বক্তব্যের মধ্য দিয়ে উপস্থাপন করেন প্রণতি কর। নারীদের লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে সমবেত সঙ্গীত, সমবেত নৃত্য ও আবৃত্তি, নাটক এবং মূকাভিনয় পরিবেশিত হয়।
