
অল ইন্ডিয়া সেভ এডুকেশন কমিটি, ত্রিপুরা চ্যাপ্টারে উদ্যোগে ১৩ সেপ্টেম্বর ত্রিপুরা রবীন্দ্র পরিষদ দক্ষিণী সভাগৃহে ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র সর্বনাশা প্রভাব’ ও তার বিকল্প হিসাবে ‘জনগণের শিক্ষানীতি ২০২৬’ বিষয়ে কর্মশালা হয়। জাতীয় শিক্ষানীতির ফলে গত ছ’বছরে শিক্ষাক্ষেত্রে কী পরিবর্তন এসেছে এবং কী সর্বব্যাপক সমস্যা তৈরি হয়েছে তা নিয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। জাতীয় শিক্ষানীতির ক্ষতিকর দিকগুলি চিহ্নিত করে এ দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীদের তত্ত্বাবধানে ব্যাপক জনগণের মতামতের ভিত্তিতে গত ২৪ জানুয়ারি ব্যাঙ্গালোরে জনগণের পার্লামেন্ট সংগঠিত করে যে ‘জনগণের শিক্ষানীতি ২০২৬’ গৃহীত হয়, তার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন হরকিশোর ভৌমিক।
প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন কমিটির ত্রিপুরা চ্যাপ্টারের সম্পাদক অসিত দাস। মূল আলোচক ছিলেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ডঃ মৃদুল দাস। তিনি দেখান, সারা দেশে ইতিমধ্যেই ৯৪ হাজার সরকারি স্কুল বন্ধ করা হয়েছে। শিক্ষার ব্যাপক বেসরকারিকরণ ও ব্যবসায়ীকরণ, ইতিহাস, বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ের সিলেবাসে চরম বিকৃতি ইত্যাদির ফলে সামগ্রিক ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে নেমে এসেছে সীমাহীন বিপর্যয়। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০ বাতিল এবং ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, বৈজ্ঞানিক ধারণার ভিত্তিতে প্রণীত জনগণের শিক্ষানীতি-২০২৬ চালুর দাবিতে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।