
রাজস্থান, গোয়া, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ। নিট-ইউজি পরীক্ষা বাতিল হবার পর ইতিমধ্যেই চারটি কুঁড়ি অকালে ঝরে গেল। চারটি পরিবার, চার মা-বাবার স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেল। চিকিৎসক হয়ে এরা হয়তো সমাজে বিরাট দায়িত্বভার পালন করত, বহু মানুষের রোগ-যন্ত্রণা নিরাময় করত। সেই সম্ভাবনার অঙ্কুর বিনষ্ট করার দায় কার? নির্ঘুম রাত, প্রচণ্ড মানসিক উত্তেজনা কাটিয়ে পরীক্ষা দিয়ে এসে যে ২৩ লক্ষ ছাত্রছাত্রী খানিকটা স্বস্তি পেয়েছিল, পরীক্ষা বাতিলের খবর শুনে তাদের কত লক্ষ আবার চূড়ান্ত হতাশা-আতঙ্কের শিকার হয়ে পড়াশোনা থেকে ছিটকে যাবে তার হিসাব কেউ কি রাখছে? রাখে না, তাদের জীবনের আর মূল্য কতটুকু? জীবনের মূল্য তো কেবল দুর্নীতিবাজ, প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রী, আমলা আর কোচিং মাফিয়াদের! নইলে একটা সংস্থা ‘ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিক্স মাত্র নয় বছর দায়িত্বে থেকে ৮৯ বার বিভিন্ন সর্বভারতীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, সলভার গ্যাং দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানো, পছন্দসই পরীক্ষা কেন্দ্র নির্বাচন করে দেওয়া, লক্ষ লক্ষ টাকা থেকে ব্ল্যাংক চেকের বিনিময়ে পরীক্ষার্থী এবং কোচিং সেন্টারগুলিকে সুবিধা করে দেওয়ার মতো নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ মাথায় নিয়েও কী করে বহাল তবিয়তে বিরাজ করছে? কেন্দ্রীয় শিক্ষা দপ্তরের অধীনে এই স্বশাসিত সংস্থাটির দুর্নীতির দায় কি কেন্দ্রীয় শিক্ষা দপ্তর তথা কেন্দ্রীয় সরকারের উপর বর্তায় না?
কী বিচিত্র এই দেশ! ২০২৪ সালে নিট-ইউজি পরীক্ষার মারাত্মক দুর্নীতি, ইউজিসি-নেট পরীক্ষা বাতিলের ঘটনা কে না জানেন? সে দিন জনমতের চাপে এনটিএ-র তৎকালীন কর্ণধার সুবোধ কুমার সিংকে অপসারণ করে কেন্দ্রীয় সরকার। সেটা কি দুর্নীতি অবসান করতে চেয়ে? তা হলে সেই সুবোধ কুমার সিং ছত্তিশগড় সরকারের মুখ্য সচিব হয়ে গেলেন কী করে? সে বার কোনও তদন্ত কিংবা অপরাধীর শাস্তি হয়নি। তা হলে কি অপরাধীদের আড়াল করতে পারার পুরস্কার পেলেন? কে দিল সেই পুরস্কার? অভয়ার খুন-ধর্ষণের তদন্ত না করা সিবিআই অফিসারকে রাষ্ট্রপতি মেডেল দিতে মনোনীত করেছিল যারা, তারাই দিয়েছে।

এনটিএ-র বিরুদ্ধে অভিযোগ তো আজ প্রথম নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে এবং দুর্নীতিমুক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা কায়েম করতে এনটিএ কী কী করছে তার ফিরিস্তি দেয়। বিধি-নিষেধের নিগড়ে ছাত্র-ছাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠে, ছাত্রীরা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলে। আর স্বচ্ছ ব্যবস্থার দোহাই দিয়ে সরকার প্রতিবার ঢেঁকি গেলায়। এ বছর নিট-ইউজি পরীক্ষার দিন ছিল ৩মে, রবিবার। ঠিক পরের দিন ছিল পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচটি রাজ্যে নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গে যখন সন্ত্রাসের আশঙ্কায় বিরাট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাখতে হচ্ছে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের হাতে গড়া আর এক নিয়ামক বডি ‘ন্যাশনাল মেডিকেল কমিশন’ ঘোষণা করল যে ৩ মে, রবিবার, সমস্ত ডাক্তারি ছাত্র-ছাত্রীদের বাধ্যতামূলক ভাবে ক্লাস করতে হবে। এ ভাবে নাকি তারা সলভার গ্যাং আটকাবে! ছাত্র সংগঠন এআইডিএসও সেদিনই বলেছিল, এ ভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের হেনস্তা করা যায়, সমস্যা সমাধান করা যায় না। সমাধানের সদিচ্ছা থাকলে, ২০২৪ সালে যখন বহু ছাত্র ৭১৭, ৭১৮, ৭১৯-র মতো অসম্ভব নম্বর পেল, তার তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দিত। কিন্তু গোটা দেশের মানুষের তোলা দুর্নীতির অভিযোগ তারা স্বীকার করেনি, গ্রেসমার্ক-কে কাঠগড়ায় তুলে অল্প কয়েকজনের পরীক্ষা নিয়ে দায় এড়িয়েছিল। এ বারেও দেখা গেল, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই এনটিএ ফিরিস্তি দিতে শুরু করল জিপিএস ট্র্যাকড যানে প্রশ্নপত্র পাঠানো, এআই অ্যাসিস্টেড সিসিটিভি মনিটরিং, ফাইভ জি জ্যামার সহ কত উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার তারা করেছে। অর্থাৎ অভিযোগ তারা সরাসরি নস্যাৎ করতে চাইল। কিন্তু দুর্নীতি প্রতিরোধ তো শুধু প্রযুক্তি দিয়ে হয় না। তার জন্য লাগে দায়বদ্ধতা-সদিচ্ছা-সততা, যার কোনওটাই, না এই সংস্থার কর্তাব্যক্তিদের না তার নেপথ্যের পরিচালক সরকার– কারোরই নেই। এদের দায়বদ্ধতা কেবল কোচিং মাফিয়াদের প্রতি, পাছে দুর্নীতি প্রকাশ্যে চলে আসে! তাই শুরুতেই অস্বীকার। অথচ, পরের দিনই অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ হয়ে গেল, বাতিল হল নিট-ইউজি পরীক্ষা।
প্রসঙ্গত জানা দরকার, ২০১৩ সালে প্রথম রাজ্যভিত্তিক মেডিকেলের প্রবেশিকা পরীক্ষাগুলোকে বাতিল করে একটি কেন্দ্রীয় পরীক্ষা চালুর প্রচেষ্টা হয়। এআইডিএসও-র আন্দোলন, দক্ষিণের রাজ্যগুলির বিরোধিতার ফলে তা আটকে যায়। বিজেপি সরকার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসে ২০১৬ সাল থেকে পাকাপোক্ত ভাবে নিট-ইউজি চালু করে। তখন অভিযোগ ছিল রাজ্যগুলিতে পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দুর্নীতি হচ্ছে, আর ছিল ‘এক দেশ, এক পরীক্ষাক্স ধুয়ো। এআইডিএসও তখন বলেছিল, সুবিশাল ভারতে বিভিন্ন প্রান্তের আর্থ-সামাজিক বৈচিত্র্য, শিক্ষাব্যবস্থার মানের তারতম্য বিবেচনা না করে, তাদের সমান মানে উন্নীত করার পদক্ষেপ না নিয়ে একটা পরীক্ষায় বাঁধার চেষ্টা বাস্তবে প্রান্তিক ছাত্র-ছাত্রীদের বঞ্চিত করার একটা বিরাট ষড়যন্ত্র। বিশেষত, যেখানে দুর্নীতি হচ্ছে আইন প্রয়োগ করে, সেখানে দুর্নীতিবাজদের শাস্তি না দিয়ে কেবলমাত্র কেন্দ্রীয় পরীক্ষা চালু করলেই দুর্নীতি আটকায় না। বরং সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আরও বড় বড় দুর্নীতি শুরু হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। এর থেকে সুবিধা যদি কারও হয় তা হবে কোচিং লবিগুলোর। তারা এক সাথে গোটা দেশের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য কোচিং-এর পসরা খুলে বিরাট মুনাফা লাভের সুযোগ পাবে। এই ফুলে-ফেঁপে ওঠা কোচিং ইন্ডাস্ট্রির পসার আরও বাড়ানোর জন্য নানা অশুভ আঁতাতের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থাকে মারাত্মক দুর্নীতির দিকে নিয়ে যাবে। সেদিন এই কোচিং লবিগুলো ছিল উঠতি। বর্তমানে সারা দেশে অন্তত ৫৮ হাজার কোটি টাকার কোচিং ব্যবসা তারা চালাচ্ছে। বাস্তবে তারা দেশের শিক্ষানীতির উপর একচেটিয়া আধিপত্য কায়েম করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক দলগুলির ইলেক্টোরাল বন্ড নিয়ে মামলায় দেখা গিয়েছিল কোটি কোটি টাকা ইলেক্টোরাল বন্ড দেওয়া কর্পোরেটদের তালিকাতে একাধিক কোচিং প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে। এই কোচিং মাফিয়াদের সঙ্গে এনটিএ-র মতো সংস্থার যোগসূত্রটা গড়ল কে? সাধারণ বুদ্ধি থেকেই বোঝা যায়, বিজেপি সরকারের নেতা-মন্ত্রী এবং তাদের মনোনীত আমলারা যারা সংস্থাগুলির মাথা আলো করে আছে, তাদের প্রত্যক্ষ যোগসাজশ ছাড়া বারবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হতে পারে না।
এ বছর রাজস্থান থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর যে প্রচণ্ড জনরোষ তৈরি হয়েছে, বাস্তবে তার চাপেই তদন্ত শুরু করতে বাধ্য হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুরু হতেই দেখা গেল, মাত্র যে আট জন ইতিমধ্যে গ্রেফতার হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে রাজস্থানের বিজেপি নেতা দীনেশ বিওয়াল, রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে এনটিএ-র প্রশ্নপত্র তৈরিতে নিযুক্ত পিভি কুলকার্নি। ফলে অভিযোগের সত্যতা অত্যন্ত স্পষ্ট। প্রশ্নটা হল, শুধু কি এটুকুই? নাকি, বর্তমান প্রযুক্তির দুনিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নপত্র কেনাবেচার ফাটকাতে যুক্ত কিছু চুনোপুটি কোচিং সেন্টার, মেস মালিক, আয়ুষ ডাক্তার, অসাধু ডাক্তারি ছাত্রকে বলির পাঁঠা করে পার পেয়ে যাবে দুর্নীতিচক্রের রাঘববোয়ালরা? কেন এত বড় অপরাধে বারবার প্রশ্রয় দিয়ে এনটিএ-কেই আবার ২১ জুন পরীক্ষার ভার দেওয়া হবে? এই এক মাস কি আদৌ দুর্নীতি আটকানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে? নাকি দুর্নীতি যাতে প্রকাশ্যে না আসে, তার বন্দোবস্ত করতেই সচেষ্ট থাকবে শিক্ষা দপ্তর? সর্বোপরি, আবার একটা মোক্ষম চাল দিয়েছে এনটিএ। ঘোষণা করেছে পরের বছর থেকে কম্পিউটার বেসড টেস্ট বা সিবিটি পদ্ধতিতে পরীক্ষা হবে, তবেই নাকি দুর্নীতি কমে যাবে! ঠগের কি আর ছলের অভাব! যে এনটিএ সময়ে পরীক্ষা শুরু করতে না পারায় গ্রেস মার্ক দিতে বাধ্য হয়েছে ২০২৪ সালে তারাই পরের বছরেই ২৩ লক্ষ ছাত্রের সিবিটি পদ্ধতিতে পরীক্ষার ব্যবস্থা করে ফেলবে তা কি বিশ্বাসযোগ্য? আসলে তাদের চেষ্টা প্রথমত, ছাত্র-অভিভাবকদের ক্ষোভের আগুনে জল ঢালা, অন্য দিকে, কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা চালু হওয়ার পর গ্রাম মফঃস্বলের যত্ন নিয়ে পড়ানো শিক্ষকদের গুরুত্ব কমে গেছে। যারা টাকা দিয়ে বড় বড় কোচিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারে তাদের সাফল্যের হার বেড়ে গেছে। সিবিটি হলে কম্পিউটার চালাতে অনভ্যস্ত প্রান্তিক ছাত্র-ছাত্রীরা বঞ্চিত হবে আরও বেশি। এখনও পর্যন্ত ছোট ছোট যে কোচিং সেন্টার চলে বা শিক্ষকরা ব্যক্তিগত ভাবে ছাত্রদের পড়ান, পরিকাঠামো তৈরি করতে না পেরে তাঁরাও হারিয়ে যাবেন। অর্থাৎ এই পদক্ষেপও ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে নয়, ওই কোচিং মাফিয়াদের সুবিধার জন্যই নেওয়া হচ্ছে।
জনমানসে প্রচণ্ড হতাশা এবং মানসিক অস্থিরতার মধ্যে যে প্রশ্নটা বারবার ঘুরে ফিরে আসছে– এই সমস্যার কি কোনও সমাধান নেই? একটা আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থাতে, দুর্নীতিগ্রস্ত নেতা-মন্ত্রী-আমলাদের হাতে পরিচালিত ব্যবস্থায় এই সমস্যার সম্পূর্ণ সমাধান সত্যিই অসম্ভব। তার মধ্যেও খানিকটা সুরাহার যদি কোনও গ্যারান্টি থাকে, তা হল এই ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সঠিক নেতৃত্বে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা, যা শাসক নেতা-মন্ত্রী-আমলাদের বুকে কাঁপন ধরায়। ঘটনাচক্রে দেখা গেল, এই মারাত্মক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসতেই দেশের সমস্ত সংগঠন প্রতিবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এমনকি খোদ শাসক বিজেপির পেটোয়া সংগঠন এবিভিপি-ও। জনগণের সামনে সাধু সাজার যত চেষ্টাই তারা করুক, তাদের নেতারা যে সরাসরি যুক্ত তা তো প্রকাশ হয়ে গেছে। তাদের আসল রূপটা পশ্চিমবঙ্গবাসী আবার দেখে নিয়েছে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে। যে দিন তারা কলকাতায় কলেজ স্ট্রিটে লোকদেখানো প্রতিবাদ করছে, একই সময়ে এই দাবিতে নর্থ বেঙ্গল মেডিকেল কলেজে আন্দোলনরত এআইডিএসও কর্মীদের আক্রমণ করছে, মেয়েদের হেনস্তা করছে বিজেপির গুন্ডারা। কংগ্রেসের যুব সংগঠন আজ যতই আস্ফালন করুক, ২০১৩ সালে তারাই প্রথম কেন্দ্রীয় নিট পরীক্ষা শুরু করেছিল। এমনকি সিপিএম যখন ত্রিপুরা এবং কেরালাতে সরকার পরিচালনা করেছে তারাও নীরবে মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় পরীক্ষার নীতি। আজ তারা আস্ফালন করছে শুধুমাত্র নির্বাচনী স্বার্থে, বিক্ষুব্ধ মানুষকে বিভ্রান্ত করে পক্ষে আনার জন্য। ছাত্র-ছাত্রী-অভিভাবকদের সমস্যা, মানসিক উৎকণ্ঠা নিয়ে কি তারা আদৌ ভাবিত?
এআইডিএসও নিট সহ সমস্ত পরীক্ষাকে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করা এবং তার পিছনের যে নীল নকশা ‘জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০ক্স তার অসারতা তুলে ধরেছে এবং লাগাতার আন্দোলন গড়ে তুলছে গোটা দেশ জুড়ে। দুর্নীতিগ্রস্ত ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে সম্পূর্ণরূপে বাতিল করে সরকারকে প্রত্যক্ষ ভাবে পরীক্ষার আয়োজন করতে হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বচ্ছ তদন্ত করে তার ফল জনসমক্ষে এনে পদমর্যাদা নির্বিশেষে সমস্ত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের দায়বদ্ধতা প্রমাণ করে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের চূড়ান্ত উৎকণ্ঠা নিরসন করতে হবে। এই দাবিতে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষকে ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত আন্দোলনে শামিল হতে হবে।