বিদ্যুৎ গ্রাহক আন্দোলনের চাপে আসামে ১ এপ্রিল থেকে বিদ্যুতের মাশুল হ্রাস করার কথা ঘোষণা করেছে আসাম ইলেকট্রিসিটি রেগুলেটরি কমিশন। জীবনধারা (বিপিএল), গৃহস্থ এ এবং বি শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটে এক টাকা এবং বাকি সমস্ত শ্রেণির গ্রাহকদের প্রতি ইউনিটে পঁচিশ পয়সা মাশুল কমেছে। বিদ্যুতের মাশুল বৃদ্ধি, প্রিপেড স্মার্ট মিটার এবং টাইম অফ ডে (টিওডি) বিল পদ্ধতি প্রবর্তন করার বিরুদ্ধে লাগাতার লড়ে যাচ্ছে অল আসাম ইলেকট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন। মাশুল হ্রাস করা ছাড়াও রেগুলেটরি কমিশন ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের বিদ্যুৎ মাশুল নির্ধারণের নির্দেশিকায় টিওডিকে অপশনাল রেখেছে।
উল্লেখ্য, গত অর্থ বছরে সরকারি বিদ্যুৎ বণ্টন কোম্পানি লাভ করেছে ৩৭৫ কোটি টাকা। ফলে কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশন দাবি তুলেছিল লাভের এই টাকা গ্রাহকদের মধ্যে ভাগ করে দিতে হবে। সেই দাবিই কিছুটা হলেও মান্যতা পেল।
লেখাটি গণদাবী ৭৭ বর্ষ ৩৪ সংখ্যা ৪-১০ এপ্রিল ২০২৫ প্রকাশিত