দক্ষিণ ২৪ পরগণার মৈপীঠে তৃণমূলের সন্ত্রাস চলছেই। তারা গত বছর খুন করেছিল এসইউসিআই(সি) নেতা কমরেড সুধাংশু জানাকে। গত ২০ জুলাই যুব নেতা এআইডিওয়াইও-র জেলা সভাপতি সুদর্শন মান্নাকে গুরুতরভাবে আহত ও রক্তাক্ত করে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। এলাকায় একচ্ছত্র দাপট কায়েম করতেই তৃণমূলের এই সন্ত্রাস।
এআইডিওয়াইও-র রাজ্য সম্পাদক কমরেড নিরঞ্জন নস্কর বলেন, এক সময়ের সিপিএম যারা ২০ বছর এই অঞ্চলের গরিব মানুষের উপরে সন্ত্রাস চালিয়ে এসেছে, তারাই আজকে ছাতা বদল করে তৃণমূলের ছাতার তলায় এসে সেখানে ক্ষমতা দখলের জন্য গণআন্দোলনের কর্মীদের উপরে সন্ত্রাস চালিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত করে রাখবার চেষ্টা করছে। সেই পরিকল্পনারই অঙ্গ কমরেড সুদর্শন মান্নার উপর হামলা। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন ও দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানান। এই ঘৃণ্য আক্রমণের প্রতিবাদে ২২ জুলাই সারা বাংলা প্রতিবাদ দিবস পালন করে এআইডিওয়াইও।
২৪ জুলাই মানবাধিকার সংগঠন সিপিডিআরএস ঘটনাস্থলে যায়। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জেলা সম্পাদক জ্ঞানতোষ প্রামাণিক, সহ সম্পাদক তমাল মণ্ডল ও গৌরাঙ্গ নস্কর। এলাকা পরিদর্শন করে তাঁরা বলেন, সকাল ৯.৩০ টায় চা খেতে শনিবারের বাজারে গেলে শাসক দলের নেতা হারাধন মান্নার নেতৃত্বে ২৫-৩০ জন দুষ্কৃতী সুদর্শন মান্নাকে লাঠি বাঁশ দিয়ে মারতে থাকে। মাথায় আঘাত পেয়ে জ্ঞান হারান তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় মারা গেছে ভেবে রাস্তার ধারে ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে মৈপীঠ কোস্টাল থানায় স্মারকলিপি দিয়ে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। তাঁরা বলেন, পুলিশ নিরপেক্ষ আচরণ করছে না।