Breaking News

মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় এসআইআর-এর শুনানি প্রতিবাদ এআইডিএসও-র

আসন্ন মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন এসআইআর-এর শুনানির পরিকল্পনার বিরোধিতা করে এআইডিএসও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় ১৯ ডিসেম্বর এক প্রেস বিবৃতিতে বলেন, রাজ্যে এসআইআর-এর জন্য ইতিমধ্যেই স্কুলের পঠনপাঠন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসআইআর-এর শুনানি হবে বলে ইতিমধ্যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক শুরু হচ্ছে। রাজ্যে প্রায় ১০ লক্ষেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে চলেছে।

পরীক্ষা চলাকালীন সেন্টারগুলিতে পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন দায়িত্ব সামলাবেন এই শিক্ষকেরাই। শিক্ষক স্বল্পতায় বাস্তব সমস্যা উপলব্ধি করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যে এসআইআর-এর শুনানি সরকারি স্কুলগুলোতে হওয়ার কথা। একই সাথে পরীক্ষা এবং শুনানি কী ভাবে হবে তা নিয়ে যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে।

এক দিকে যখন রাজ্যে সরকারি স্কুলগুলো পরিকাঠামো ও শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে তখন মাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষকদের এসআইআর-এর শুনানির কাজে যুক্ত রাখলে পঠন পাঠনের পাশাপাশি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও ব্যাপক বিশৃঙ্খলা ও সমস্যার সৃষ্টি হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন সহ শিক্ষা বহির্ভূত বিভিন্ন কাজে শিক্ষকদের নিযুক্ত করে রাজ্যের শিক্ষার যতটুকু অবশিষ্ট অংশ বেঁচে ছিল তাকেও ধ্বংস করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এআইডিএসও-র পক্ষ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন এসআইআর নিয়ে শুনানি পর্ব চালানোর সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করছি এবং সরকারি স্কুলগুলিকে নির্বাচনী শুনানির কাজে ব্যবহার করারও তীব্র বিরোধিতা করছি।

আমাদের দাবি– মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন এসআইআর-এর শুনানি পর্ব বন্ধ রাখতে হবে। পরীক্ষার ব্যাঘাত ঘটিয়ে শুনানি পর্ব চালানো যাবে না, এসআইআর-এর জন্য সরকারি স্কুলের পঠনপাঠন কোনও ভাবে ব্যাহত করা চলবে না। এই সময় সমস্ত সরকারি স্কুলে নিয়মিত পঠনপাঠন চালু রাখতে হবে। শিক্ষকদের বিএলও হিসাবে নিয়োগ করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া চলবে না।