
কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোরে ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হল অল ইন্ডিয়া ইলেক্ট্রিসিটি কনজিউমার্স অ্যাসোসিয়েশনের দক্ষিণ ভারত জোনাল কনভেনশন। গান্ধী ভবনে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনে অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কেরালা, কর্ণাটক, তামিলনাড়ূ, পুদুচেরি রাজ্য থেকে পাঁচ শতাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপন ঘোষ। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ বিলের মাধ্যমে গ্রাহকদের অধিকার হরণ করার যে প্রক্রিয়া চলছে তার বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই কনভেনশন।
পূর্বতন আইএএস অফিসার সমাজকর্মী এম জি দেবশ্যাম বেসরকারিকরণের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, কৃষকদের এবং গৃহস্থ গ্রাহকদের ক্রস সাবসিডি দেওয়ার যে ব্যবস্থা, তা তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তামিলনাড়ূ পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার সোসাইটির সভাপতি এস গান্ধী বলেন, বিদ্যুৎ হল জাতীয় সম্পদ। একে মুনাফার জন্য বেসরকারি করা একেবারেই উচিত নয়। স্মার্ট মিটার ব্যবহার করে তামিলনাড়ূর ৭০ লাখ নিম্ন আয়ের গ্রাহক যে আর্থিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছেন, তিনি তা উল্লেখ করেন। অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী সভাপতি সমর সিনহা বলেন, ২০০৩ সাল থেকে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে বেসরকারি মালিকরা ঢুকছে। তাদের ব্যবসার স্বার্থে সরকার এই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেছে। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন সর্বভারতীয় সহ সভাপতি কে সোমশেখর, সর্বভারতীয় কোষাধ্যক্ষ অজয় চ্যাটার্জী, কেরালার বি দিলীপন, কর্ণাটকের ভি জ্ঞানমূর্তি, অন্ধ্রপ্রদেশের সুব্বারেড্ডি, কেরালার সুরেন্দ্রন, তামিলনাড়ূর অনাভরথন, কর্ণাটকের এ আই কে কে এম এস নেতা শিবপ্রসাদ এবং কৃষক নেত্রী দীপা।
বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ বন্ধ করা, স্মার্ট মিটার ব্যবহার বাতিল করা, টিওডি ট্যারিফ প্রত্যাহার করা, কর্ণাটকে ইউনিট প্রতি ৩৬ পয়সা সারচার্জ বৃদ্ধি এবং ফিক্সড চার্জের বিরুদ্ধে আন্দোলন তীব্র করার সিদ্ধান্ত হয়।