Breaking News

জাতীয় শিক্ষানীতি পুরোপুরি চালু হলে শিক্ষার ক্ষতিও হবে পুরোপুরি এনইপি বাতিলের দাবি এআইডিএসও-র

এ রাজ্যে পুরোপুরিভাবে জাতীয় শিক্ষানীতি ‘২০ চালু করার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই পরিপ্রেক্ষিতে এআইডিএসও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় ১৮ মে এক প্রেস বিবৃতিতে বলেন, রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট উদ্বেগের। বিগত সরকারের ‘মডেল স্কুল’ প্রকল্প ও বর্তমান সরকারের ‘পিএমশ্রী’ প্রকল্প একই। বাছাই করা কিছু স্কুলের বিশেষ উন্নয়নের কথা বলে কার্যত শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী ও পরিকাঠামোর অভাবে ধুঁকতে থাকা হাজার হাজার স্কুল প্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নে কার্যকরী পদক্ষেপ না নেওয়াই হল এই পিএমশ্রী প্রকল্পের মূল কথা। বিগত সরকার রাজ্য শিক্ষানীতি ’২৩-এর মাধ্যমে এ রাজ্যে ঘুরপথে জাতীয় শিক্ষানীতি ’২০ চালু করেছিল, যার পরিণতিতে রাজ্যে স্কুল স্তরে উচ্চমাধ্যমিক তুলে দিয়ে সেমিস্টার প্রথা চালু, ব্যাপক ফি বৃদ্ধি, সরকারি স্কুল বন্ধ করা, বেসরকারিকরণ, চার বছরের ডিগ্রি কোর্স চালু হয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে জাতীয় শিক্ষানীতি ’২০-এর হাত ধরে এনটিএ-র দুর্নীতি, ইন্ডিয়ান নলেজ সিস্টেমের নামে সিলেবাসে অবৈজ্ঞানিক চিন্তার অনুপ্রবেশ ও ইতিহাসের বিকৃতি এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সার্বিক বেসরকারিকরণ হয়েছে। এই অবস্থায় এ রাজ্যে জাতীয় শিক্ষানীতি ’২০ পুরোপুরি ভাবে কার্যকরী হলে একদিকে যেমন সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা বলে কিছু থাকবে না, অন্য দিকে শিক্ষার বেসরকারিকরণ কেন্দ্রীকরণ, বৃত্তিমুখীকরণ এবং সাম্প্রদায়িকীকরণের সিংহদুয়ার পুরোপুরিভাবে উন্মুক্ত হবে, ধ্বংস হবে নবজাগরণের শিক্ষাচিন্তা ও শিক্ষার মর্মবস্তু-প্রাণসত্তা। এআইডিএসও এর বিরুদ্ধে রাজ্যের ছাত্রসমাজ ও শিক্ষাপ্রেমী জনসাধারণের কাছে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে।