
গ্রাম-শহর নির্বিশেষে সমস্ত ইনফর্মাল হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (আইএইচসিপি)-দের নাম সরকারি ভাবে নথিভুক্তি করা, রেজিস্টার্ড ডাক্তারদের দিয়ে বিজ্ঞানসম্মত প্রশিক্ষণ ও স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে শংসাপত্র প্রদান, মেডিকেল অফিসারের তত্ত্বাবধানে সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবায় যথাযথভাবে কাজে লাগানো, ড্রাগ কন্ট্রোলার-পুলিশ-প্রশাসনের অন্যায় জুলুম ও হয়রানি বন্ধ করা প্রভৃতি দাবিতে ৩ ডিসেম্বর শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর ১৩৭তম জন্মদিবসে গ্রামীণ চিকিৎসকদের সংগঠন প্রোগ্রেসিভ মেডিকেল প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া (পিএমপিএআই)-এর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির আহ্বানে তমলুকের সুবর্ণজয়ন্তী হলে চতুর্থ পূর্ব মেদিনীপুর জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। শহিদ বেদি ও ক্ষুদিরামের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সম্মেলনের কাজ। সভাপতিত্ব করেন ডাঃ জয়দেব ঘড়া। সম্পাদকীয় প্রতিবেদন পেশ করেন জেলা সম্পাদক রামচন্দ্র সাঁতরা। মূল বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের মুখ্য উপদেষ্টা প্রাক্তন সাংসদ ডাঃ তরুণ মণ্ডল। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ডাঃ প্রাণতোষ মাইতি, সহসভাপতি যুগল পাখিরা, কোষাধ্যক্ষ ডাঃ তিমির কান্তি দাস, উপদেষ্টা ডাঃ বিশ্বনাথ পড়িয়া ও তমলুক পৌরসভার চেয়ারম্যান চঞ্চল খাঁড়া। দাবিসনদ সংক্রান্ত প্রস্তাব পেশ করেন চতুর্থ জেলা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সুবীর মাইতি। কেন্দ্রীয় বাজেটের ১০ শতাংশ ও রাজ্য বাজেটের ২০ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ, বাণিজ্যিকীকরণ রোধ সহ ছ’দফা দাবিসনদ সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। বিকালের অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন মেডিকেল সার্ভিস সেন্টারের সর্বভারতীয় সম্পাদক ডাঃ ভবানী শংকর দাস ও ডাঃ মেহেতাব আলি। সম্মেলন থেকে রামচন্দ্র সাঁতরাকে সভাপতি ও সুবীর মাইতিকে সম্পাদক করে নূতন জেলা কমিটি গঠিত হয়। সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৭ শতাধিক গ্রামীণ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন।